অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

আগস্ট থেকে বর্মা ও বাংলাদেশ থেকে ১৭ হাজার মানুষ সাগর পথে পাড়ি জমিয়েছেন জীবিকার সন্ধানে




শুকনো মওশূমেই প্রধানত: সাগরপথে যেন তেন ভাবে তৈরি নৌযানে করে শত শত লোক কাজের সন্ধানে সাগর পাড়ি দিয়ে কাছাকাছির দেশগুলোয় গিয়ে হাজির হবার চেষ্টা চালায় । অনেক ক্ষেত্রেই গন্তব্যে পৌঁছোনোর আগেই যাত্রা তাদের থেমে যায় , প্রাণ হারায় অনেকে । এর বিহিত কি করা যেতে পারে । জাতিসংঘ সূত্রও এঁদের সঠিক সংখ্যা বলতে না পারলেও , এরকম সাগরযাত্রা যে শুরু হয়েছে তা অস্বীকার করছে না তারা ।
বর্মার আরাকান থেকে দাঙ্গার আশংকা হতে প্রাণ বাঁচাতে , দাঙ্গার হাত থেকে রক্ষা পেতে অনেকে এবং সেই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকেও কিছু লোক এভাবে থাইল্যান্ড এবং থাইল্যান্ড হয়ে মালয়েশিয়ায় গিয়ে পৌঁছুনোর চেষ্টা করছেন । এই গত সপ্তাহেই বলা হচ্ছে হাজার চারেক লোক এভাবে যাত্রা শুরু করেন – আগস্ট থেকে এ অবধি ১৭ হাজার মানুষ এ পথে পাড়ি জমিয়েছেন ।

বলা হচ্ছে এখন এধরনের সমুদ্র যাত্রার জন্যে বড়ো সড়ো নৌযান চালু করা হচ্ছে , খরচও কিছুটা কমে নামানো হচ্ছে এবং খরচের টাকা কিস্তিতে পরিশোধেরও বন্দোবস্ত করা হচ্ছে । সাধারণভাবে দেখলে মনে হতে পারে , কাজের সন্ধানে যাবে মানুষ – এতে অসুবিধের কি আছে – কিন্তু আইনগত দিক গুলো , নিরাপত্তার বিষয় , এসব কোনো না কোনো কতৃপক্ষের তো দেখতে হবেই – মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা ।
বিষয়গুলো বিশ্লেষন করেছেন বিশিষ্ট রাষ্ট্র বিজ্ঞানী , ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক প্রফেসার শহিদ্দুজ্জামান । ভয়েস অফ এ্যামেরিকার ওয়াশিংটন স্টুডিও থেকে তাঁর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন সরকার কবীরূদ্দীন ।immigration
XS
SM
MD
LG