অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

আফ্রিকী-এ্যামেরিকান মিউযিয়াম আনুষ্ঠানিকভাবে, সরকারীভাবে আজ শনিবার থেকে উন্মোচিত হ’লো


প্রেসিডেন্ট ওবামা আজ শনিবার তাঁর সাপ্তাহিক বেতার ভাষনে, তাঁর জবানীতে যেটা কিনা ওয়াশিংটনের জাতীয় সবুজ চত্বর ওয়াশিংটন মলে প্রতিষ্ঠিত সর্ব সাম্প্রতিক এ্যামেরিকান আইকন- আফ্রিকী এ্যামেরিকান ইতিহাস ও সংষ্কৃতির জাজ্বল্যমান প্রতীক, আফ্রিকী-এ্যামেরিকান মিউযিয়ামের কথা বলেছেন।

এই যে মিউযিয়ামটি আনুষ্ঠানিকভাবে, সরকারীভাবে আজ শনিবার থেকে উন্মোচিত হ’লো, ওবামা বলেন- এটি, জাতিয় জীবনের চালচিত্রের ধারা বিবরনীতে যেটা কিনা সব সময়েই প্রথম সারির কাহিনীরূপে উল্লেখিত হয়নি, সেই তারই বিবরণ তুলে ধরেছে।

প্রেসিডেন্ট বলেন- এ দেশ গড়ায় যাঁদের অবদান থেকেছে তাঁদের কথা- আমাদের ইতিহাসের পাতায় পাতায় বিধৃত হয়েছে যথার্থভাবেই, কিন্তু, পাশাপাশিই, ইচ্ছাকৃত অথবা অনিচ্ছা-অনবধানতায় অন্যান্য লক্ষ লক্ষ গণমানুষের জীবনধারণ-অভিাজ্ঞতার যেসব কথা তুলে ধরতে বেমালুম অনীহা প্রদর্শন করেছি আমরা, যথোপযুক্তভাবেই, এই সবুজ চত্বরের জাতীয় মলে ওয়াশিংটন- জেফারসানের কথা এবং আমাদের স্বাধীনতার কথা বলার পাশাপাশি এ কাহিনীর উল্লেখও সর্বৈব অর্থেই ন্যায়সঙ্গত-যথার্থ রুপেই বিবেচিত।

গতকাল শুক্রবার হোয়াইট হাউসে সমাগত প্রায় সাড়ে সাত শ’ অতিথি অভ্যাগতের উপস্থিতিতে, ওয়াশিংটন মলের ঐ মিউযিয়ামের উদ্বোধনী উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট বলেন- এ উদ্বোধনীর জন্যে এমোন চমৎকার সময় আর কি হতে পারে।

ওবামা বলেন- অনেক দিক থেকেই এটা চমৎকার সময় একটা। আবার অনেক দিক থেকেই দুরুহ সময় এটি। ইতিহাস সব সময়ই সহজ সরল পথ ধ‘রে হাঁটেনা। এবং প্রখর নজরদারি ব্যতিরেকে আমরা যেমন পিছুপানেও হঠে যেতে পারি – তেমনি আবার এগুতেও পারি সম্মুখপানে।

এই যে মিউযিয়াম, এর কথা প্রথম প্রস্তাব করেছিলেন ১৯ শ’ পনেরো সালে কৃষ্ণাঙ্গ একদল নাগরীক অধিকার সংগ্রামী আর সেটিই আজ শনিবার উন্মোচিত হলো ওয়াশিংটনের জাতীয় সবুজ চত্বর ওয়াশিংটন মলে অন্যান্য যুদ্ধ স্মরণ সৌধ এবং সাংষ্কৃতিক প্রতিকী-পীঠস্থানের পাশাপাশি – সেসবেরই মাঝখানে।

প্রেসিডেন্ট তাঁর বক্তব্যের উপসংহারে বললেন- আমি মানশ্চক্ষে যেন দেখছি- শ্বেতাঙ্গ, কৃষ্ণকায়,লতিনো বংশোদ্ভব, আদী এ্যামেরিকান বাচ্চারা যখন ঘুরে ঘুরে এই মিউযিয়াম দেখবে- তখন তাদের চোখের সামনে জটীল-দুরুহ-এবং কখনোবা ত্রাস সঞ্চারী দৃশ্যপটের পাশাপাশি উদ্ভাসিত হয়ে উঠবে আমাদের বিজয় কাহিনী।

বললেন আর এরই মধ্যে দিয়ে আমরা পরস্পর সহজ-সান্নিধ্যে কথা বলতে পারবো- অভিন্ন মানবতাবোধ জেগে উঠবে প্রানবন্ত হয়ে, মুর্ত হয়ে উঠবে ওইখানে, এই যেখানটায় আমরা এ্যামেরিকা গড়ে তুলেছি। ভয়েস অফ এ্যামেরিকার রিপোর্ট উপস্থাপন করছেন সরকার কবীরুদ্দীন:

XS
SM
MD
LG