অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে থাকা সব ছিটমহলের বাসিন্দাদের নাগরিকত্ব নির্ধারণ অর্থাৎ কে কোন দেশে থাকতে চান, তা যাচাই-বাছাই এবং জনসংখ্যা তালিকাভুক্তির জন্য দুই দেশের ১৬২টি ছিটমহলে সোমবার থেকে যৌথ জনগণনা শুরু হয়েছে। চলছে ১৬ জুলাই পর্যন্ত। উৎসবমুখর পরিবেশে এই জনগণনা চলছে। বাংলাদেশ যে ১১১টি এবং ভারত যে ৫১টি ছিটমহল পাবে এর সবগুলোতেই জনগণনা চলছে। যদিও বাংলাদেশ যে ১১১টি ছিটমহল পাবে তার মধ্যে ৪৩টিতে এবং ভারত যে ৫১টি ছিটমহল পাবে তার ২০টিতে কোনো জনবসতি নেই। সবশেষ ২০১১ সালে জনগণনা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ১৯৭৪ সালে স্বাক্ষরিত ও সম্পাদিত বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময় চুক্তি গত ৭ মে ভারতীয় পার্লামেন্টের উভয় কক্ষে অনুমোদিত হয়। আগামী ৩১ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে ছিটমহলগুলো হস্তান্তরিত হবে।...ঢাকা থেকে আমীর খসরু

রিপোর্ট-২

৭ মে ভারতীয় পার্লামেন্টে ১৯৭৪ সালে সম্পাদিত বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময় চুক্তি অনুমোদিত হলে ছিটমহলগুলোতে ছিল বাধভাঙ্গা আনন্দ-উল্লাস। এখন ছিটমহলবাসীর প্রতীক্ষা আছে আনুষ্ঠানিক হস্তান্তরের দিনটির জন্য। সোমবার সে লক্ষ্যে জনগণনা শুরু হয়েছে ছিটমহলগুলোতে। বাংলাদেশ পাবে এমন একটি ছিটমহলের দু’জন ছিটমহলবাসী, গণনাকারী দলের একজন বাংলাদেশী ও একজন ভারতীয় কর্মকর্তা এবং কুড়িগ্রামের দাসিয়ার ছড়া ছিটমহল থেকে বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল হস্তান্তর কমিটির বাংলাদেশ অংশের প্রধান গোলাম মোস্তফার প্রতিক্রিয়াসহ রিপোর্ট।...ঢাকা থেকে আমীর খসরু

XS
SM
MD
LG