অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

আমেরিকা প্রবাসী তরুণদের কাছে একুশের চেতনা


ekhush

ekhush

বাঙ্গালীর ইতিহাসে ২১শে ফ্রেব্রুয়ারী এক অবিস্মরণীয় দিন। একুশ আমাদের অস্তিত্ব, একুশ আমাদের চিন্তা চেতনায়। ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে প্রতিটি বাঙ্গালীর প্রাণে একুশ গ্রথিত। ১৯৯১ সালে নিউ ইয়র্কের মুক্তধারা ফাউন্ডেশন এবং বাঙ্গালীর চেতনা মঞ্চে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সামনে প্রথম অস্থায়ী শহীদ মিনার স্থাপন করে। উত্তর আমেরিকায় আজ বিকাল থেকেই ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানানোর মধ্য দিয়ে সূচনা করা হবে মহান একুশের। আর কয়েকঘন্টা পর শহীদ মিনারের পাদদেশেই শুরু হবে নানা বয়সী ছেলে মেয়েদের জন্য লিখন ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতা।

শেমন্তী ওয়াহেদ গত ২২ বছর ধরে জাতিসংঘ ভবনের সামনে অস্থায়ী শহীদ মিনারে যায়। শেমন্তী তার অনুভূতির কথা জানালো।
ওয়াশিংটন প্রবাসী আরেক তরুণ যার জন্ম এবং এদেশে বেড়ে ওঠা রাশাদ জাফর উল্লাও তার অনুভূতির কথা জানালেন-- জানালেন বাংলার প্রতি তাদের নাড়ীর টান এবং তার প্রতি অগাধ ভাববাসার কথাও।

প্রবাসে বেড়ে ওঠা অসংখ্য ছেলেমেয়ে বাংলা ভাষাকে সযত্নে লালন করছে, একে ধরণ করে এর চর্চা করছে। আমাদের অনুজেরা বাংলার গৌরব একুশকে মহিমান্বিত করবে বিশ্ব দরবারে।

আমেরিকা প্রবাসী তরুণদের কাছে একুশে ফ্রেরুয়ারীর চেতনা এবং বাংলা ভাষার গুরুত্ব কি? এ প্রসংগে কথা বলেন তাহিরা কিবরিয়া। পুরো অনুষ্ঠান শোনার জন্য অডিও চাপ দিন।
XS
SM
MD
LG