অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী তুর্কি ধর্মীয় নেতার বিরুদ্ধে তুরস্কের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি


তুরস্ক যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত ধর্মীয় নেতা ফেতুল্লাহ গুলেনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। সরকার বলছে গত মাসের ব্যর্থ অভুত্থানের পেছনে তার হাত ছিল। গুলেন এই সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং ঐ অভূত্থানের নিন্দেও করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত ধর্মীয় নেতার সঙ্গে যে সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সন্দেহজনক সম্পৃক্ততা রয়েছে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেজেপ তাইয়েব এরদোয়ান তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সংকল্প প্রকাশ করেছেন। ফেতুল্লাহ গুলেন নামের এই ধর্মীয় নেতাকে তিনি গত মাসের ব্যর্থ অভূত্থান পরিকল্পনার জন্য দোষারোপ করছেন।

এরদোয়ান আজ আঙ্কারার বণিক সমিতির নের্তৃস্থানীয় লোকদের উদ্দেশ্যে কথা বলেন এবং তাঁদের জানান যে তাঁর সরকার , তাঁর কথায় , “ যাদের হাতে রক্তের দাগ রয়েছে সেই সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত সব ব্যবসা বানিজ্য সম্পুর্ণ বন্ধ করে দিতে সঙ্কল্পবদ্ধ। তিনি বলেন যে ফেতুল্লাহ গুলেনের আন্দোলেন যাওয়া প্রতিটি পয়সা একেকটি বুলেটের মতো যা নাকি এ জাতির বিরুদ্ধেই ব্যবহার করা হয়।

১৯৯৯ সাল থেকে পেনসেলভিনিয়ার গ্রামাঞ্চলে বসবাসকারী গুলেনকে এরদোয়ান একজন সন্ত্রাসী বলে অভিহিত করেছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যে বিচারের জন্য যেন তাকে তুরস্কের কাছে হস্তান্তরিত করা হয়। তবে আনুষ্ঠানিক ভাবে এই আবেদন জানানো হয়নি। ১৫ই জুলাইয়ের ঐ ব্যর্থ অভু্থানের পর সামরিক বাহিনী , বিচার বিভাগ , আসামরিক সরকারী দপ্তর এবং শিক্ষা ক্ষেত্রের ষাট হাজারের ও বেশি লোককে আটক , বরখাস্ত কিংবা নজরদারিতে রাখা হয়েছে এর ফলে এ রকম আশঙ্কা দেখা দিয়েছে যে এরদোয়ান এই ঘটনাকে ভিন্ন মতাবলম্বীদের দমন নিপীড়নের জন্য ব্যবহার করছেন।

XS
SM
MD
LG