অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

এবারের হ্যালো ওয়াশিংটন : বাংলাদেশে তত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে নতুন বিতর্ক

  • আনিস অহমেদ

এবারের হ্যালো ওয়াশিংটন : বাংলাদেশে তত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে নতুন বিতর্ক

এবারের হ্যালো ওয়াশিংটন : বাংলাদেশে তত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে নতুন বিতর্ক

বাংলাদেশে নির্বাচন পুর্ববর্তী নব্বই দিনের তত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে আবারও এক নতুন বিতর্কের সুত্রপাত ঘটলো। গত ১০ই মে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী , যার মাধ্যমে বাংলাদেশে তত্বাবধায়ক সরকারকে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছিল , সেটি অবৈধ ঘোষণা করে। তবে আদালত এ কথা ও বলেছে যে আগামী দুই মেয়াদের নির্বাচন, যেটি দেশের দশম এবং একাদশতম নির্বাচন, সেই দুটি নির্বাচন , চাইলে তত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমেই করা যেতে পারে , মূলত কোন রকমের বিভ্রান্তি ও গোলোযোগ এর ফলে দূর হবে। সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের পর , এ ব্যাপারে গঠিত সংসদীয় কমিটির সঙ্গে এক বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আদালতের রায় অনুয়ায়ী তত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের পক্ষেই মত প্রকাশ করেছেন , অন্যদিকে প্রধান বিরোধীদল বি এনপি , এই মতের সমালোচনা করেছে , তারা বলছে যে তারা তত্বাবধায়ক সরকারের অধীন ছাড়া , আগামি নির্বাচনে যাবে না এবং এরই মধ্যে জামায়াতে ইসলামি দলের সঙ্গে আলোচনা করে ৫ তারিখে হরতাল ডেকেছে। এখানে বলে রাখা ভাল তত্বাবধায়ক সরকারের অস্তিত্ব নিয়ে এ ধরণের বিতর্ক এই প্রথম হলেও, তত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান কে হবেন , সে নিয়ে এর আগে প্রধান দু দলের মধ্যে তুমুল মতভেদ দেখা দিয়েছে , আন্দোলন হয়েছে , তত্বাবধায়ক সরকার প্রধান পরিবর্তন ঘটেছে এবং সামরিক বাহিনী সমর্থিত সরকার ও তিন মাসের পরিবর্তে বাংলাদেশে দু বছর ক্ষমতায় থেকেছে।

এই সব বাস্তবতার আলোকে , এবং শ্রোতাদের প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে আজকে আমাদের অতিথীরা বিশ্লেষণ করে দেখছেন গোটা বিষয়টা । প্রশ্নকর্তারা একদিকে মনে করেন যে তত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি সংবিধান-সঙ্গত নয় , অন্যদিকে আবার এর বিকল্প কি হতে পারে সে প্রশ্ন ও উঠেছে। অনেকেই মনে করেন যে বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে যে উত্তেজনা চলছে সেই মুহর্তে তত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বিলুপ্ত করে দেওয়া উচিৎ নয়। পাশাপাশি এ কথা ও অনেকে বলছেন যে তত্বাবধায়ক সরকার গণতান্ত্রিক রীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপুর্ণ একটি ব্যস্থা নয়। তবে সকলেই একমত যে অগণতন্ত্রিক কোন শক্তির হাতে ক্ষমতা যাবার আগে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একটা বোঝাপড়ার দরকার আছে।

আমাদের এ সপ্তার হ্যালো ওয়াশিংটনের অতিথীরা টেলিকনফারেন্স লাইনে তাদের অভিমত প্রকাশ করেছেন। ঢাকা থেকে আমাদের অতিথী ছিলেন, বাংলাদেশের বিশিষ্ট আইনজ্ঞ ব্যারিস্টার এম জহির এবং ইলিনয় থেকে যোগ দিয়েছেন ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির , পলিটিক্স এন্ড গভর্ণমেন্টা ডিপার্টমেন্টের অধ্যাপক ও চেয়ার , ড আলী রীয়াজ।

XS
SM
MD
LG