অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

কাবুল হত্যার সন্দেহভাজনকে পুলিশ খুঁজছে , শান্তির আহ্বান কারজাইয়ের


কাবুল হত্যার সন্দেহভাজনকে পুলিশ খুঁজছে , শান্তির আহ্বান কারজাইয়ের

কাবুল হত্যার সন্দেহভাজনকে পুলিশ খুঁজছে , শান্তির আহ্বান কারজাইয়ের

আফগান কর্তৃপক্ষ রোববার বলেন যে তারা একজন আফগান গোয়েন্দা কর্মকর্তাকে খুঁজছে যাকে তারা মনে করে খুব কাছে থেকে যুক্তরাষ্ট্রের দু জন কর্মকর্তাকে হত্যার জন্যে দায়ি। শনিবার কাবুলের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কমান্ড সেন্টারে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে তাদের হত্যা করা হয়।

কর্মকর্তারা বলছেন যে ঐ ২৫ বছর বয়সী গোয়েন্দা কর্মকর্তার নাম আব্দুস সাবুর এবং সে পাকিস্তানেই লেখা পড়া করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের দু জন সামরিক কর্মকর্তা , যাদের একজন লিউটেনেন্ট কর্ণেল এবং অপর জন মেজর তাদের হত্যার ঘটনা ঘটলো , মঙ্গলবার বাগরাম বিমান ঘাটিতে কোরান পুড়ানোর পর দেশব্যাপী প্রতিবাদ বিক্ষোভের পঞ্চম দিনে। ঐ বিক্ষোভে বেশ কিছু লোক প্রাণ হারায়। নেটোর আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সহযোগিতা বাহিনীর মুখপাত্র বিড্রেগেডিয়ার জেনারেল কাস্টেন বলেন যে সব চেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে যে ঘটনা যারা ঘটিয়েছে তারা কী ভাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এই কঠোর নিরাপদ জায়াগায় প্রবেশ করলো এবং তাদের কাছে গিয়ে কি ভাবে হত্যা করলো।

এ দিকে কাবুলে এক সংবাদ সম্মেলনে আফগান প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই বলেন যে এটা পরিস্তার নয় যে কে এই কাজটি করেছে , সে কি আফগান নাকি বিদেশী , কোথা থেকেই বা এসছে কিন্তু যারা নিহত হয়েছে তাদের জন্যে তিনি দুঃখ প্রকাশ করছেন এবং তাদের পরিবারের প্রতি তাঁর শোক জ্ঞাপন করছেন।

আজ রোববার টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে আফগান প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই শান্ত থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন , এখন যখন আমরা আমাদের অনুভূতি ব্যক্ত করেছি , তখন সময় এসছে শান্ত হবার এবং শান্তিতে থাকার।

এই আবেদন সত্বেও উত্তরের কুন্দুজ প্রদেশে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গাটিতে গেোনেড নিক্ষেপ করা হলে একজন বিক্ষোভকারী নিহত এবং সাতজন আমেরিকান সৈন্য আহত হয়। আফগান তালিবানরা মন্ত্রকের ঐ গুলি চালান ঘটনার দায় স্বীকার করে এবং বলছে যে মুসলমানদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ পুড়ানোর বদলা হিসেবেই ঐ আক্রমণ চালানো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য কর্মকর্তা , কোরানের এই অবমাননার বিরুদ্ধে ক্ষমা চেয়েছেন তবে এ সত্বেও আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের বিক্ষোভ থামেনি।

XS
SM
MD
LG