অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

হ্যালো ওয়াশিংটন: আফগানিস্তানে বিদেশী সৈন্য : প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া

  • আনিস আহমেদ

২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের উপর আল ক্বায়দার সন্ত্রাসী আক্রমণের পর , আফগানিস্তানের তালিবান শাসকরা যখন , তদানীন্তন আল ক্বায়দা নেতা ওসামা বিন লাদেনকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তরিত করার আহ্বান প্রত্যাখ্যান করে এবং বিন লাদেন ও তার সহযোগীদের সেখানে অভয় আশ্রয় দেয় তার পর অক্টোবর মাসে আফগানিস্তানে যৌথ বাহিনী অপারেশন এন্ডিউরিং ফ্রিডম নামের সামরিক অভিযান শুরু করে। তালিবান শাসনামলে আফগানিস্তান যে নিরবচ্ছিন্ন অন্ধকারে ছেয়ে গিয়েছিল , তা থেকে দেশটিকে মুক্ত করাই ছিল এই অভিযানের লক্ষ্য। অল্প সময়ের মধ্যেই সেখানে তালিবান প্রশাসনের অবসান ঘটেছে।

সেই থেকে এক দশকের ও বেশি সময় পেরিয়ে এসছি আমরা , নানান চড়াই উৎরাইয়ের ভেতর থেকে ; এবং অতি সম্প্রতি সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের একজন সৈন্য গুলি করে বেশ কয়েকজন গ্রামবাসীকে হত্যা করলে সেখানে নতুন করে উত্তেজনা, উদ্বেগ , উৎকন্ঠা সৃষ্টি হয়েছে , উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল মুসলমানদের পবিত্র গ্রন্থ কোরান পুড়ানোর অভিযোগকে কেন্দ্র করেও। প্রেসিডেন্ট ওবামা এবং শীর্ষ আমেরিকান কর্মকর্তারা এ জন্যে ক্ষমা চেয়েছেন , দুঃখ প্রকাশ করেছেন । প্রেসিডেন্ট এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী লিওন পানেটা বলেছেন যে এই সব দূঃখজনক ঘটনা সত্বেও , যুক্তরাষ্ট্র ও আফগানিস্তানের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটবে না এবং সে দেশে যুক্তরাষ্ট্র তার মিশন অব্যাহত রাখবে । আফগান প্রতিরক্ষামন্ত্রী আব্দুল রহিম ওয়ারদাক ও বলেছেন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃপক্ষ ঐ অভিযুক্ত সৈন্যটির বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে বলে তাদের আশ্বাস দিয়েছে। এই সব ঘটনাপ্রবাহের পরিপ্রেক্ষিতে জিজ্ঞাসা শ্রোতাদের , জবাব বিশেষজ্ঞ অতিথিদের ।

আমাদের অতিথি প্যানেলে টেলি সম্মিলনি রয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড ইমতিয়াজ আহমেদ , রয়েছেন কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অফ ফরেন পলিসি স্টডিজ এর অধ্যাপক জয়ন্ত রায় এবং এখানে যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির পলিটিক্স এন্ড গভর্নমেন্ট বিভাগের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজ ।

XS
SM
MD
LG