অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

রোহিঙ্গা শরনার্থিদের গ্রহণ করা বাংলাদেশের নিরাপত্তার অনুকুলে নয় : ড আমেনা মোহসিন

  • আনিস আহমেদ

বর্মায় রাখাইন ও রোহিঙ্গাদের মধ্যে সাম্প্রতিক জাতিগোষ্ঠিগত হিংসা হানাহানির কারণে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করে। কিন্তু বাংলাদেশ নৌকায় করে আসা এই সব শরনার্থিকে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেয়নি । এরই মধ্যে জাতিসংঘ এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলো বাংলাদেশকে রোহিঙ্গা শরনার্থিদের আশ্রয় দেয়ার কথা বললেও বাংলাদেশ তার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিয়ে সেই সব অনুরোধ অগ্রাহ্য করেছে। সম্প্রতি শরনার্থি আসা বন্ধ হয়েছে বলে বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষীবাহিনী বা বিজিবি জানিয়েছে। তবু এই ঘটনা প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে ভয়েস অফ আমেরিকার বাংলা বিভাগের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক , ড আমেনা মোহসিন বলেন যে বর্মার সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কে একটা নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে তবে বর্মার এই সরকার , যে ধরণের প্রয়াস চালাচ্ছে তাতে এই প্রভাবটা থাকবে সর্বনিম্ন।

তিনি তার সাক্ষাৎকারে বলেন যে এটা রীতিমতো পরিহাসের ব্যাপার যে বর্মায় যখন গণতান্ত্রিক সংস্কার সাধিত হচ্ছে এবং যখন দু দেশের মধ্যে কুটনৈতিক সম্পর্ক উন্নত হচ্ছে, এ রকম ঘটনা তখন ঘটলো। শরনার্থি গ্রহণ করতে না পারার পেছনে বাংলাদেশের কারণ সম্পর্কে অধ্যাপক আমেনা মোহসিন বলেন যে কেবল মাত্র যে আর্থিক কারণে বাংলাদেশ এই বাড়তি চাপ নিতে পারছে না তাই নয় , জাতীয় নিরাপত্তার ইস্যুটাও এখানে প্রধান । এখন ও যে অবশিষ্ট ২৮ হাজার রোহিঙ্গা শরনার্থি বাংলাদেশে রয়েছে , তাদের অনেকের সম্বন্ধেই এ রকম অভিযোগ রয়েছে যে তারা ইসলামি উগ্রপন্থিদের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয় এবং বিদেশে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে। বাংলাদেশ যখন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে লিপ্ত তখন বাংলাদেশ নতুন করে নিরাপত্তা বিষয়ক কোন ঝুকি নিতে পারে না। তিনি অতএব মনে করেন যে হয় বর্মা তাদের নাগরিকত্বের মর্যাদা দিক নইলে বিশ্বের ধনী দেশগুলি বিশেষত মুসলিম রাষ্ট্রগুলি তাদের আশ্রয় দিক।

XS
SM
MD
LG