অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

পাকিস্তানের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা বন্ধ হয়নিঃ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি কোর্টনি বীল


পাকিস্তানের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা বন্ধ হয়নিঃ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি কোর্টনি বীল

পাকিস্তানের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা বন্ধ হয়নিঃ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি কোর্টনি বীল

পাকিস্তানের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা বন্ধ হয়নিঃ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি কোর্টনি বীল

পাকিস্তানের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা বন্ধ হয়নিঃ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি কোর্টনি বীল

পাকিস্তানে যে আমেরিকান কূটনীতিকের গুলিতে তিনজন পাকিস্তানির মৃত্যু হয়েছে, তাঁকে ছেড়ে দেয়ার জন্য পাকিস্তানের উপর চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র এও জানিয়েছে যে এই ঘটনার কারনে ইসলামাবাদের সাথে তাদের আলোচনা বন্ধ হয়নি। এই বিষয়ে আলোচনা করেছেন সেহ্‌জীন চৌধূরী এবং আনিস আহমেদ।

আনিস আহমেদঃ প্রায় দুই সপ্তাহ্‌ আগে, এই ঘটনা ঘটে পাকিস্তানের লাহোরে। কিন্তু এখনো এই বিষয়টি বিতর্কের কেন্দ্রে। আর তার কারনে এই দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উপর বেশ চাপ পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র দাবি করছে, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তাদের এই কূটনীতিক-কে ছেড়ে দিতে হবে।

সেহ্‌জীন চৌধূরীঃ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা বলছেন এই আমেরিকান কূটনীতিক দুজন পাকিস্তানিকে গুলি করে মেরেছেন ঠিক-ই, কিন্তু তিনি তা বাধ্য হয়ে করেছেন। তাদের হাতে অস্ত্র ছিলো, তারা তাঁকে আঘাত করত। তাই তিনি গুলি ছোড়েন, কিন্‌তু তার পেছনের কারন ছিলো আত্নরক্ষা, আর কিছু নয়।

আনিস আহমেদঃ যুক্তরাষ্ট্র এই দুজন পাকিস্তানির মৃত্যুতে দুঃখ্য প্রকাশ করেছে।

সেহ্‌জীন চৌধূরীঃ তার সাথে তারা এও জানিয়েছেন, এই আমেরিকান কূটনীতিকের আইনী সুরক্ষা আছে। তাঁকে গ্রেফতার করে পাকিস্তান দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের যেসব আন্তর্জাতিক চুক্তি আছে, তা লঙ্ঘন করেছে।

আনিস আহমেদঃ পাকিস্তানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন এই ব্যাপারটি এখন পুরোপুরি আদালতের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করে। এই আমেরিকানের ভাগ্য বিচারকদের রায়ের উপরেই ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

এই পরিস্থিতি নিয়ে ভয়েস অফ আমেরিকার সাথে কথা বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের প্রতিনিধি কোর্টনি বীল।

সেহ্‌জীন চৌধূরীঃ তিনি বলেছেন, তারা পাকিস্তানের সরকারের সাথে আলোচনা করেছেন যাতে এই সমস্যা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ঠিক করা যায়। তারা পাকিস্তানের সাথে উচ্চ পর্যায়ের আলোচনা বন্ধ করেনি। তারা চেষ্টা করছেন, এই পরিস্থিতি পেছনে ফেলে সামনে আর যেসব দ্বিপাক্ষিক কার্যক্রম আছে, তা নিয়ে আলোচনা করতে।

আনিস আহমেদঃ গত সোমবার পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারির সাথে এক আলোচনা সভায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ক্যামেরন মান্টার এই ব্যাপারে আবার জোর দিয়ে বলেন, এই আমেরিকান কূটনীতিক-কে এখনই ছেড়ে দেয়া উচিৎ।

যুক্তরাষ্ট্র সামরিক ও অসামরিক সাহায্য হিসেবে কোটি কোটি ডলার ইসলামাবাদে পাঠায় তাদের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতির জন্য। তারা আশা করছেন এই সাহায্যের মাধ্যমে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সিমান্তে যেসব সন্ত্রাসবাদীর ঘাটি আছে, সেসব ধংস করতে অনেকটা সক্ষম হবে।

সেহ্‌জীন চৌধূরীঃ পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের প্রতিনিধি আব্দুল বাসিট কিন্‌তু বলছেন এই আমেরিকান কূটনীতিকের হাতে দুজন পাকিস্তানির খুনের ঘটনার কারনে যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নষ্ট হবেনা। এই সম্পর্ক অনেকদিনের। তারা এই পরিস্থিতি থেকে বের হয়ে আসতে পারবে। পাকিস্তানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন তারা যুক্তরাষ্ট্রের যে কূটনীতিক-কে গ্রেফতার করেছেন, তাঁর নাম রেইমন্ড ডেইভিস। কিন্‌তু তারা এখনো বলছেনা যে এই আমেরিকান নাগরিক তাদের দেশে একজন কূটনীতিক হিসেবে গিয়েছিলেন কি না।

আনিস আহমেদঃ দেখা যাক এই পরিস্থিতি দুই দেশের সরকার কিভাবে সামাল দেয় আর এর কারনে তাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে কোন পরিবর্তন আসে কি না।

XS
SM
MD
LG