অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

কপ্টিক খ্রীষ্টানদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘাতে মিশরে ২৪ জন নিহত


কপ্টিক খ্রীষ্টানদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘাতে মিশরে ২৪ জন নিহত

কপ্টিক খ্রীষ্টানদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘাতে মিশরে ২৪ জন নিহত

মিশরে কপ্টিক খ্রীষ্টান এবং পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষে ২৪ জন নিহত এবং শতাধিক লোক আহত হবার পর সেখানকার কর্তৃপক্ষ রাজধানী কায়রোতে বহু লোককে গ্রেপ্তার করেছে।

কর্তৃপক্ষ অবশ্য বলেনি যে রোববারের সহিংসতার পর যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে , তারা মুসলমান , নাকি খ্রীষ্টান।

কপ্টিক খ্রীষ্টানরা সম্প্রতি একটি গীর্জা পুড়িয়ে ফেলার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছিল , যখন তা এক পর্যায়ের সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে দাঙ্গায় পরিণত হয়।

মিশরের অন্তবর্তী মন্ত্রীপরিষদ বলছে যে তারা কোন গোষ্ঠিকেই জাতীয় ঐক্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে কিংবা গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় যাওয়া বিলম্ব করতে দিতে পারে না।

রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে যে পরিস্থিতি আলোচনার জন্যে মন্ত্রীসভা জরুরী বৈঠকে বসেছে এবং সেনাবাহিনী তাহরির স্কোয়র এবং আশপাশের এলাকায় রাত্রীকালীন কারফিউ জারি করেছে।

প্রতিবাদকারীরা আগুনের বোমা ব্যবহার করে , সেনাবাহিনীর গাড়িতে অগ্নি সংযোগ করে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘাতে লিপ্ত হয়। এ ধরণের সংঘর্ষ ফেব্রয়ারী মাসের যে গণঅভুত্থানে হোসনি মুবারককে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে উৎখাত করা হয় , তার পরে সব চেয়ে সহিংস সংঘাত।

শত শত দাঙ্গাকারী পুলিশের সঙ্গে লড়াই করেছে , রাস্তার পিচ উপড়ে ফেলেছে এবং পাথরকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছে। এক পর্যায়ে নিরাপত্তা বাহিনীর একটি সাজোয় গাড়ি ভীড়ে প্রচন্ড গতিতে প্রবেশ করে এবং কয়েকজন প্রতিবাদকারীগাড়ির নীচে পিষে ফেলে। রোববারের ঐ সংঘর্ষে দু জন সৈন্যও নিহত হয়।

খ্রীষ্টান বিক্ষোভকারীরা বলছে যে শুবরা এলাকার প্রধানত কপ্টিক পাড়ায় একটি শান্তিপূর্ণ সমাবেশ মারাত্মক রূপ ধারণ করে যখন গোষ্ঠিটি মিশরের বেতার ও টেলিভিশন ভবনে মিছির করে যায় এবং সেখানে সাদা পোশাকে পুলিশ তাদের ওপর হামলা করে। পরে এই বিক্ষোভ তাহরির স্কোয়ারে ছড়িয়ে পড়ে।

গত কয়েক সপ্তায় মিশরের দক্ষিনাঞ্চলের দুটি গীর্জায় দাঙ্গা হয়েছে কারণ মুসলমান জনতা গীর্জা নির্মাণের ব্যাপারে ক্ষুব্ধ ছিল।

XS
SM
MD
LG