অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

অলিম্পিক সমাচার: লণ্ডনের নিরাপত্তা

  • রোকেয়া হায়দার

লণ্ডনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, অলিম্পিক মশালবাহী তারকা আর গেমস চলাকালে লণ্ডন শহরের পাতাল রেলের বিরাট ভুমিকার বিষয় নিয়ে আজকের আলোচনা।

উপস্থাপন করছেন রোকেয়া হায়দার।

লণ্ডন অলিম্পিকের মশাল চলেছে বৃটেনের শহর নগর বন্দরের পথ বেয়ে। কখনও বা সে মশাল সাধারণ মানুষের হাতে উজ্জ্বল কখনও বা তারকার আলোয় আরও জ্বলন্ত। বিশ্বের এমনি এক বিখ্যাত দৌড়বিদ মাইকেল জনসন – ১৯৯২ সালে স্পেনের বার্সেলোনা, আধুনিক অলিম্পিকের শতবর্ষে যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায় এবং ২ হাজার সালে অস্ট্রেলিয়ার সিডনীতে স্বর্ণপদকজয়ী দৌড়বিদ জনসন বৃটেনের বিখ্যাত স্টোনহেঞ্জ এবং পরে সলসবেরীতে বয়ে নিয়ে গেলেন মশাল।

আর নিরাপত্তা ব্যবস্থা অন্য যে কোন গেমসের তুলনায় কড়াকড়ি যেন আরও বেশী। আগেই বলা হয়েছে প্রতিযোগিতার বিভিন্ন জায়গায় ১৩ হাজার ৫শো সৈন্য সুরক্ষা কাজে নিয়োজিত থাকবে। তার সঙ্গে বাড়তি সাড়ে তিন হাজার সৈন্য নিরাপত্তা রক্ষা কাজে যোগ দেবে বলে জানিয়েছেন বৃটেন সরকার।

লণ্ডনের টিউব বা পাতাল রেল ব্যবস্থা খুবই ভাল। প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ মানুষ যাতায়াত করে এই রেলে। আর অলিম্পিকের সময় দিনে আরও ৩ লক্ষ যাত্রী যাতায়াত করবে। অলিম্পিকের সময় পাতাল রেলের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছেন মার্ক ইভার্স তিনি বললেন ঃ ‘গেমস চলাকালে নির্ভরযো্গ্য পরিনহনের জন্য আমরা যা কিছু সম্ভব সবই করেছি। তবে হঠাত্ করেই কিছু ঘটতে পারে। দ্রুত সেই জরুরী পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য আমরা সব ব্যবস্থা করে রাখছি। ধরুন, অলিম্পিক পার্কে যাওয়ার পথে কোন লাইনে বিঘ্ন ঘটলো, তার বিকল্প হিসেবে সেই একই সময়ে অন্য ১০টি লাইনে রেল চলাচল করবে। তাই আমরা নিশ্চিন্ত যে দর্শক পর্যটকরা ঠিকমতই যাতায়াত করতে পারবে’।

লণ্ডন জুড়ে নিত্য ২১০টি স্টেশনে ১১টি লাইনে রেল চলাচল করছে। শহরের মধ্যে দিয়ে আরও অনেক রেল লাইনের সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে।অলিম্পিক সংগঠক কমিটির সদস্য জনাথন এডওয়ার্ডস পরামর্শ দিয়েছেন যে, ধৈর্য্যসহকারে, হাতে বেশ সময় নিযেই পথে বেরোতে হবে। তার কথা – ‘কেউই মনে করে না যে এটা খুব সহজ ব্যাপার। কেউ আবার একথাও ভাবছে না যে কোন চ্যালেঞ্জ দেখা দেবে না। কিন্তু আমরা সমস্যা যাতে কম হয় সেই চেষ্টাই করছি। এবং বরাবরের মত যে কোন বিরাট আয়োজনে যে সহযোগিতা ও ধৈর্য্যের প্রয়োজন, জনসাধারণের পক্ষ থেকে যে সদিচ্ছার প্রয়োজন তার ওপরই নির্ভর করছি’।

পূর্ব লণ্ডনের স্ট্র্যাটফোর্ডে অলিম্পিক পার্কের কাছে নতুন প্রযুক্তি, সাইনবোর্ড বসিয়ে ও লোকজন নিয়ে অত্যাধুনিক রেল স্টেশন ঢেলে সাজাতে টিউব কর্মকর্তারা যথেষ্ট পরিশ্রম করেছেন, এবার অপেক্ষা কেবল লণ্ডন অলিম্পিক উদ্বোধনের।

XS
SM
MD
LG