অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

লিবিয়ার বিদ্রোহীরা পশ্চিম দিকে তাদের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রেখেছে


সিরতে শহরের দিকে বিদ্রোহীদের যাত্রা

সিরতে শহরের দিকে বিদ্রোহীদের যাত্রা

আজ ও লিবিয়ার বিদ্রোহী বাহিনী পশ্চিম দিকে মোয়াম্মার গাদ্দাফির নিজের শহর সিরতে ‘র দিকে এগিয়ে যাচ্ছে যেখানে সরকারী শক্তঘাটিঁ দখলের জন্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ লড়াই আসন্ন। আন্তর্জাতিক বিমান অভিযানের সহযোগিতা নিয়ে বিদ্রোহীরা রাজধানী ত্রিপোলির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে । বিমান উড়ান নিষিদ্ধ আকাশ সীমা বাস্তায়নের আগে যে সব অঞ্চল সরকারী সৈন্যরা দখল করে নিয়েছিল সেগুলো আবার বিদ্রোহীরা নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেছে।

আজ কাতার প্রথম আরব রাষ্ট্র যারা কী না বিদ্রোহীদের স্বীকৃতি দিয়েছে , লিবিয়ার নের্তৃত্ব প্রদানের একমাত্র বৈধ গোষ্ঠি হিসেবে। কাতার , পশ্চিমি দেশগুলোর সঙ্গে লিবিয়ায় বিমান অভিযানে অংশ নিচ্ছে।

রোববার রাতে জোট বাহিনী প্রথম সির্তেতে আক্রমণ চালায় । তার আগে বিদ্রোহীরা ব্রেগা ও রাস লানুফ সহ বিশাল অঞ্চল দখল করে।রাস লানুফ এর একজন বাশিন্দা , তেল শ্রমিক এল মারেশ বলছেন যে বিদ্রোহীরা যে অস্ত্র দখল করতে সক্ষম এটাতেই প্রমাণিত হয় যে তাদের সিরতের দিকে এগিয়ে যাবার শক্তি আছে।

রাজধানী ত্রিপোলিতেও প্রচন্ড বোমা বর্ষণ করা হয়েছে।

ও দিকে ত্রিপোলিতে সরকারী মুখপাত্র মুসা ইব্রাহিম এই অভিযানের সমালোচনা করে বলেন স্পষ্টতই পশ্চিম ও নেটো এই সংঘাতে অংশ নিচ্ছে। এটা অবৈধ , এবং এটা নিরাপত্তা পরিষদ অনুমোদিত নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা আজ যখণ লিবিয়ার বিষয়ে আমেরিকান জনগণের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তখন নেটোর নেতারা যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে এই অভিযানের কুটনৈতিক ও সামরিক নিয়ন্ত্রণ নেয়ার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

নেটো কর্মকর্তারা বলছেন যে লিবিয়ার বিদ্রোহীদের অস্ত্র প্রদান করাটা কোন বিকল্প নয় যদি ও জোট বহিনীর বিমান অভিযানের কারণে বিদ্রোহীরা সরকার নিয়ন্ত্রিত এলাকায় প্রবেশ করছে। .

নেটো কমান্ডাররা বলছেন যে তারা এই সংঘাতে কোন পক্ষ অবলম্বন করছেন না এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব অনুযায়ী একমাত্র অসামরিক লোকদের রক্ষা করাই তাদের লক্ষ।

ওবামা প্রশাসন সামরিক ভাবে লিবিয়ায় হস্তক্ষেপ করার সিদ্ধান্তকে সমর্থন করছে । তবে কংগ্রেসে কেউ কেউ বলছেন যে যুক্তরাষ্ট্রের কার্যব্যবস্থা এবং লক্ষ্য খুব পরিস্কার নয়।

XS
SM
MD
LG