অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

অলিম্পিকে অংশগ্রহণের স্বপ্ন কি সত্যিই ধরাছোঁয়ার বাইরে?

  • রোকেয়া হায়দার

ভাল খেলোয়াড়রা অলিম্পিকে অংশ নেওয়ার স্বপ্ন দেখে ছেলেবেলা থেকেই কিন্তু এই প্রতিযোগিতার জন্য তৈরী হওয়ার ব্যয়ভার অত্যন্ত বেশী। অনেকের জন্য যা দুঃসাধ্য হয়ে ওঠে। তবে সরকারী বেসরকারীভাবে যথেষ্ট সাহায্যও পাওয়া যায়।

আজকের অলিম্পিক সমাচারে এ বিষয়টির ওপর আলোকপাত করছেন রোকেয়া হায়দার।

অন্য অনেক দেশের মত আমেরিকাতেও ছেলেমেয়েদের স্কুলে পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় উত্সাহিত করা হয়। আর যারা অলিম্পিক অথবা জাতীয়-আন্তর্জাতিক খেলাধুলায় অংশ নেওয়ার যোগ্য বলে ধারণা করা হয়, তাদেরকে যথেষ্ট সাহায্য করারও ব্যবস্থা রয়েছে। যেমন নিক সুমণ্ডস। নিক জুন মাসে ওরেগান রাজ্যের ইউজিন শহরে অলিম্পিক দৌড়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্য বাছাই পর্বে ক্যানসাস থেকে ফিলাডেলফিয়া, লস এঞ্জেলেস হয়ে ওরেগানে যবে।

নিক মনে করে এইভাবে সে অলিম্পিকের জন্য সঠিক ফর্মে আসছে।

‘আমি আসলে গত জানুয়ারী মাসে ইন্টারনেটে ইবেতে আমার সমস্যা তুলে ধরেছিলাম – সবাইকে জানাবার চেষ্টা করেছি, খেলোয়াড়রা কিভাবে কষ্ট করে অলিম্পিক স্বপ্ন পূরণের চেষ্টা করে। আমি আমার কাঁধের ছবি দিয়ে তার একটা মূল্য নির্ধারণ করেছিলাম’।

উইসকনসিনের এক কোম্পানী তার সেই কাঁধের বিবরণ জানিয়ে বিজ্ঞাপন দেওয়ার ব্যবস্থাটি কিনে নিল। সিমণ্ডস জানালো, হ্যানসন ডজ ক্রিয়েটিভ ১১ হাজার ১শো ডলার দিয়ে তার কাঁধের সেই ছবিটি বিজ্ঞাপনের জন্য কিনেছে।

XS
SM
MD
LG