অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ভারত ও বর্মা অর্থনীতি, বানিজ্য ও নিরাপত্তা বিষয়ে বেশ কয়েকটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে

  • সরকার কবীরূদ্দীন

বর্মার সামরিক শাসক সিনিয়ার জেনারেল থান শুয়ে পাঁচ দিনের সফরে ভারতে রয়েছেন, তাঁকে লাল গালিচা অভ্যর্থনা জানানো হয়েছে । অর্থনীতি, বানিজ্য ও নিরাপত্তা খাতের বেশ কয়েকটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে দুদেশের মধ্যে । বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, বর্মার ওপর চীনের বর্ধমান প্রভাব প্রশমনের চেষ্টাতেই ভারত বেশি করে বর্মার দিকে ঝূঁকছে।

ভারত বলছে, বর্মা তার প্রতিবেশি দেশ, বর্মাকে উপেক্ষা করা যায় না । অথচ আসিয়ানের জনৈক মূখপাত্র বলছেন, গত আঠারো মাসেই ১ লক্ষ ১৮ হাজার মানুষকে উচ্ছেদ করা হয়েছে বর্মার পূর্বাঞ্চল থেকে । মানবাধিকার গোষ্ঠিগুলোও প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছে ।

কারেনদের ওপর বর্মার সামরিক সরকারের নিপিড়ন-নির্যাতন বহুদিন যাবত চলে আসছে, বহু শরনার্থী অন্যান্য দেশে পালাচ্ছে প্রাণভয়ে । প্রতিবেশি দেশগুলোর ওপর শরনার্থীর চাপ পড়ছে ।

বর্মার নির্বাচন নিয়ে গনতান্ত্রিক মহলে উদ্বেগ রয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে অন সান সু চীর দল নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে রাজি নয় এবং সেই অজুহাতে দলটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে, অন সান সূ চীকে এখনো আটকিয়ে রাখা হচ্ছে, মুক্ত বিশ্ব কি বলছে ?

ইতিমধ্যে বর্মার মানবাধিকার লংঘনের প্রশ্ন তুলে বিভিন্ন মানবাধিকার গোষ্ঠী বর্মি নেতার এ ভারত সফরকালে প্রতিবাদ জ্ঞাপন করছে – বিরূপ সমালোচনা করছে বর্মার সামরিক শাসকদের অনুসৃত নীতি আদর্শের। বিষয়টি নিয়ে আমরা কথা বলি ভারতের বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী, সুজাত ভদ্র-র সঙ্গে ।

XS
SM
MD
LG