অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন কর্মসুচীতে বাংলাদেশের বিশেষ দায়িত্ব

  • রোকেয়া হায়দার

জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন কর্মসুচীতে বাংলাদেশের বিশেষ দায়িত্ব

জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন কর্মসুচীতে বাংলাদেশের বিশেষ দায়িত্ব

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রেসিডেন্ট, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি এ কে আবদুল মোমেনকে ‘জাতিসংঘের গ্লোবাল কাউন্টার টেররিসম স্ট্র্যাটেজি’ বাস্তবায়ন, অনুসরণ বিষয়ে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সঞ্চালকের দায়িত্বে নিয়োগ করেছেন।

আব্দুল মোমেন

আব্দুল মোমেন

রাষ্ট্রদূত আবদুল মোমেন তার এই বিশেষ ভুমিকা সম্পর্কে বলেন, ‘আমার মুল দায়িত্ব হচ্ছে যে ২০০৬ সালে জাতিসংঘের সকল সদস্য দেশ ঐক্যবদ্ধভাবে একটি প্রস্তাব অনুমোদন করে যে, দুনিয়া থেকে সন্ত্রাস নির্মুল করবে। কারণ সন্ত্রাসবাদ হচ্ছে জাতিসংঘের নীতিমালার পরিপন্থী। এবং জাতিসংঘ সর্বদা – বিশ্বে আইনের শাসন, শান্তি শৃঙ্খলা স্থাপনের লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে। সদস্য দেশগুলো তা কিভাবে বাস্তবায়ন করছে, সেটি পর্যালোচনার ক্ষেত্রে আমি সঞ্চালক বা ফেসিলিটেটারের ভুমিকা পালন করবো’।

তিনি বলেন, জাতিসংঘের নীতিমালায় চারটি মুল বিষয় পর্যালোচনা করা হচ্ছে। যা হলো যে কি কারণে সন্ত্রাস ছড়িয়ে পড়ে এবং তা কিভাবে রোধ করা যেতে পারে। দ্বিতীয়তঃ কিভাবে সন্ত্রাসের মোকাবেলা করা যায়, এবং পৃথিবী থেকে সন্ত্রাস কি ভাবে সম্পূর্ণ দূর করা যেতে পারে। তৃতীয়তঃ প্রত্যেক দেশে নিজেরা কিভাবে তাদের দেশের সন্ত্রাসবাদ দমন করতে পারে, সেই পদ্ধতি তৈরী করা। আর চার নম্বর হচ্ছে, সন্ত্রাস দমনের নামে যাতে মানবিক মূল্যবোধের যাতে কোন লঙ্ঘন না হয়, কোন অত্যাচার যাতে না ঘটে, মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষার বিষয়টি যাতে সমুন্নত রাখা হয়।

রাষ্ট্রদূত মোমেন জানান – এই প্রস্তাবটি গোটা বিশ্বে সন্ত্রাস দমন ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে গৃহিত। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্বের মধ্যে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পরপরই, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছেন যে, বাংলাদেশকে সন্ত্রাস মুক্ত করবেন এবং এ দেশে সন্ত্রাস যাতে কোনভাবেই চরিতার্থ না হয় তার ব্যবস্থা করবেন।

XS
SM
MD
LG