অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে ইস্রায়েল – ফিলিস্তিনী শান্তি আলোচনা

  • রোকেয়া হায়দার

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সাথে ইস্রায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু, ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস, মিশরের প্রেসিডেন্ট হোসনী মুবারাক, এবং জর্ডানের বাদশাহ আবদুল্লা

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সাথে ইস্রায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু, ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস, মিশরের প্রেসিডেন্ট হোসনী মুবারাক, এবং জর্ডানের বাদশাহ আবদুল্লা

যুক্তরাষ্ট্র, নতুন করে ইস্রায়েল – ফিলিস্তিন শান্তি প্রক্রিয়া শুরু করার লক্ষ্যে এখানে ওয়াশিংটনে শান্তি আলোচনার এক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই আলোচনায় মিশরের প্রেসিডেন্ট হোসনী মুবারাক এবং জর্ডানের বাদশাহ আবদুল্লাও উপস্থিত ছিলেন। ইস্রায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইস্রায়েলের নিরাপত্তার প্রশ্নটিই তাদের কাছে প্রধান বিবেচ্য বিষয়। আর ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস বলেছেন, ইহুদী বসতি স্থাপনের বিষয়টি তাদের কাছে মুল সমস্যা।

নতুন এই ইস্রায়েল ফিলিস্তিনী শান্তি আলোচনা সম্পর্কে ওয়াশিংটনের হেরিটেজ ফাউণ্ডেশনের সিনিয়ার রিসার্চ ফেলো জেমস ফিলিপস বলেন – ‘আমি মনে করি আরও অনেক কঠিন সমস্যা রয়েছে। তাই এক বছরের মধ্যে চূড়ান্ত কোন সমাধানে পৌঁছনো খুবই দুঃসাধ্য হবে। তবে দুই পক্ষ একটা মতৈক্য পৌঁছতে পারে যাতে একটা অবকাঠামো তৈরী করা যায়’।

নিউইয়র্ক থেকে প্রবীন সাংবাদিক সৈয়দ মোহাম্মদউল্লা বললেন, ‘ইস্রায়েলের নিরাপত্তার যে বক্তব্য। এটা নিঃসন্দেহে একটা জাতি তার নিরাপত্তার দাবী করতে পারে। কিন্তু আমরা বিষয়টা যদি বিবেচনা করে দেখি, প্রায় এক দশক আগে সম্ভবতঃ সৌদি আরব বলেছিল – আমরা সমস্ত আরব রাষ্ট্র, সমস্ত মুসলিম রাষ্ট্র একযোগে ইস্রায়েলকে স্বীকৃতি দেবো, খালি আপনারা এই প্যালেস্টাইনী রাষ্ট্রটাকে মেনে নিন। এবং নিরাপত্তার ব্যাপারে তারা গ্যারান্টি দেবে। এগুলো আসলে কোন কাজের কথা না। ইস্রায়েল কখনও প্যালেস্টাইনীদের দাবী মেনে নেবে না – আমার বয়স হয়েছে, সারাজীবন দেখলাম, এগুলো হচ্ছে সবকিছু বিলম্বিত করার প্রক্রিয়া’।

XS
SM
MD
LG