অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

কল-ইন শোর বিষয় হচ্ছে, মনমোহন সিং এর বাংলাদেশ সফর : প্রত্যাশা ও সংশয়

  • আনিস আহমেদ

ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে বিমানবন্দরে বিদায় জানান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে বিমানবন্দরে বিদায় জানান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বাংলাদেশে মনমোহন সিং এর সদ্যসমাপ্ত সফর নিয়ে , ছিল অনেক প্রত্যাশা , আগ্রহ ও উদ্দীপনা , ছিল জিজ্ঞাসা ও সংশয়ও। ১৯৭২ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর বাংলাদেশ সফরের পর , আরও বহু প্রধানমন্ত্রী সে দেশে গেছেন তবে সাধারণ ভাবে মনে করা হয়েছে যে মনমোহন সিং এর এই সফর ছিল মিসেস গান্ধীর সফরের মতোই গুরুত্বপুর্ণ । সে জন্যেই প্রত্যাশা ও সংশয়।

এই প্রত্যাশা ও সংশয় যেমন ছিল বাংলাদেশের তরফ থেকে তেমনি ছিল ভারতের তরফ থেকে। কোন কোন দিক থেকে ভিন্ন ধর্মী ছিল প্রত্যাশা ও সংশয়। যেমন বাংলাদেশের প্রত্যাশা তিস্তা ও ফেনী নদীর জলবন্টন , সে নিয়ে সংশয় হলো ভারতের তরফ থেকে। আবার ট্রানজিট প্রশ্নে ভারতের তরফ থেকে যতটা প্রত্যাশা , বাংলাদেশের তরফ থেকে এ নিয়ে সংশয় ও কম ছিল না। এ দুটি ইস্যই মনমোহনের বাংলাদেশ সফরের আলোচ্য সূচি থেকে বাদ পড়লো। তিস্তা চুক্তি হলো না , মমতা বন্দোপাধ্যায়ের আপত্তির কারণে , আর ঐ বহুল আলোচিত চুক্তি সম্পর্কে ভারত সরকারের প্রতিশ্রুতিভঙ্গের কারণে বাংলাদেশ ও ট্রানিজট সম্পর্কিত সম্মতিপত্রে স্বাক্ষর দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তবে দু পক্ষই আশ্বাস দিয়েছে যে এই বিষয়টি বাদে মোটের ওপর মি সিং এর বাংলাদেশ সফর সফল হয়েছে বলে দু পক্ষই বলছেন। একাধিক সম্মতিপত্র ও প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়েছে বানিজ্য ও সীমান্ত বিষয়ে। এ সব কিছু কেই সামনে রেখেই আজকের আলোচনা।

আজ আমাদের অতিথি প্যানেলে আপনাদের প্রশ্নের জবাব দিচেছন , ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ । তিনি বর্তমানে শ্রীলংকায় একটি সম্মেলনে রয়েছেন। ড ইমতিয়াজ আহমেদ এই টেলি সম্মিলনি লাইনে আমাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন , সরাসরি কলম্বো থেকে। রয়েছেন, কোলকাতা থেকে সকালবেলা পত্রিকার উপদেষ্টা সম্পাদক ও ইতিহাসের অধ্যাপক ড অসীমপদ চক্রবর্তী । ড চক্রবর্তী আপনাকের ও স্বাগতম । অতিথি প্যানেলে আরও আছেন , বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ , ইউ এন ডি পি’র দারিদ্র বিমোচন বিষয়ক পরিচালক ড সেলিম জাহান । ড জাহান আপনাকে স্বাগতম।

XS
SM
MD
LG