অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বাংলাদেশীদের লিবিয়া যেতে বারণ


Bangladeshis, who used to work in Libya and fled the unrest in the country, carry their belongings as they arrive in a refugee camp at the Tunisia-Libyan border, in Ras Ajdir, Tunisia, March 9, 2011. (AP Image)

Bangladeshis, who used to work in Libya and fled the unrest in the country, carry their belongings as they arrive in a refugee camp at the Tunisia-Libyan border, in Ras Ajdir, Tunisia, March 9, 2011. (AP Image)

চলমান সংঘাত ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশি নাগরিকদের লিবিয়া যেতে বারণ করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকার লিবিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। তাই পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সে দেশে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

লিবিয়ায় বর্তমানে প্রায় ৩০ হাজার বাংলাদেশি অবস্থান করছেন। নিরাপত্তা সঙ্কট এতটাই প্রবল, সূর্যাস্তের আগে তাদেরকে বাড়িঘরে ফিরে যেতে হয়। বিভিন্ন দেশ তাদের শ্রমিকদের ফেরত নিয়ে যাচ্ছে। নিরাপত্তার কারণে বাংলাদেশের দূতাবাস তিউনিশিয়ায় সরিয়ে নেয়া হয়েছে। দেশটিতে যারা রয়েছেন তারা দেশে টাকাও পাঠাতে পারছেন না, ফিরতেও পারছেন না। তিউনিশিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশি দূতাবাসের কাউন্সিলর আশরাফুল ইসলাম জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতি শ্রমিক পাঠানোর ব্যাপারে মোটেই সহায়ক নয়। বরং যারা ওখানে রয়েছেন তাদের নিরাপত্তাও মারাত্মক ঝুঁকির মুখে। তবে জাতিসংঘের তরফে যে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে তা সফল হলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে।

ওদিকে বেনগাজিতে অবস্থানরত বাংলাদেশী গোলাম কিবরিয়া জানান, পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হচ্ছে। কিছুদিন আগে লিবিয়া ত্যাগের হিড়িক পড়ে যায়। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অনেকেই লিবিয়া ছাড়তে শুরু করেন।

গত ২৪শে আগস্ট ইউরোপ যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগর থেকে ৫০০ অভিবাসীকে উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে অন্তত ৭৮জন ছিলেন বাংলাদেশি। ২৪জনকে মৃত এবং ৫৪জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

এ সম্পর্কে ঢাকা থেকে বিস্তারিত জানিয়েছেন মতিউর রহমান চৌধুরী।

XS
SM
MD
LG