অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বার্লিনে প্রবাসী মার্কিনীদের অভিনব প্রতিবাদ


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রবাসী মার্কিনীদের মনোভাবের একটি অভিনব বহিঃপ্রকাশ ঘটে গেলো জার্মানির রাজধানী বার্লিনে। ডনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসনসহ বিভিন্ন নীতিকে দেয়ালের সঙ্গে তুলনা করে তৈরি করা হয়েছিল একটি প্রতীকী বার্লিন দেয়াল। এরপর তা ভেঙে দেয়া হয়। অবশ্য ট্রাম্প বিরোধী এ সমাবেশে দু’শ মার্কিন জড়ো হলেও তাদের মধ্যে অনেকে আবার এই দেয়াল আয়োজনের প্রতিবাদও করেছেন।

ট্রাম্প সমর্থকরা বলেছেন, আমরা তার সঙ্গে আছি। বার্লিনের ইংরেজি পত্রিকা দ্য লোকাল লিখেছে-এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল আন্তর্জাতিক এক্টিভিস্ট সংগঠন অ্যাভাজ। এর সংগঠক লন্ডনে মার্কিন অভিবাসী মেরিডিথ আলেকজান্ডার বলেছেন, আমরা মার্কিন ও বার্লিনবাসীকে ঐক্যবদ্ধ করছি। আমাদের অভিন্ন লক্ষ্য ট্রাম্প নির্মিত ‘ঘৃনার দেয়াল’ গুড়িয়ে দেয়া।

শুক্রবার বার্লিনের ব্রান্ডেনবার্গ গেট-এর যেখানে একদা পুর্ব ও পশ্চিম জার্মানি দেয়াল দ্বারা বিভক্ত ছিল, সেখানে ওই সমাবেশের আয়োজন করা হয়। দ্য লোকালের মন্তব্য এই অভিনব সমাবেশের উদ্দেশ্য শুধুই ট্রাম্প বিরোধিতা নয়। একই সঙ্গে সকলের মনোযোগ আকর্ষণ করা যে, বিশ্বের দেশে দেশে বসবাসরত প্রায় ৮৭ লাখ মার্কিনির জীবনে আগামী নভেম্বরের নির্বাচন কতোটা বিশাল গুরুত্ব বহন করছে। অ্যাভাজ বলেছে ২০১২ সালের নির্বাচনে কেবল ১২ শতাংশ মার্কিনী বিদেশে বসে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছিলেন। তবে প্রবাসী মার্কিনরা অধিকতর প্রগতিশীল ও সজাগ। এর প্রমাণ হলো জার্মান প্রবাসী ভোটাররা এর আগে প্রাইমারিতে হিলারিকে নয়, তারা বেছে নিয়েছিলেন বার্নি স্যান্ডার্সকে। ১৯ বছর বয়সী জ্যাকব এসেছিলেন মার্কিন পতাকা হাতে। গায়ে ছিল ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ খচিত একটি টি শার্ট। তার পছন্দ রিপাবলিকান প্রার্থী। তার কথায় ট্রাম্পের যেসব বক্তব্যকে ক্ষতিকর মনে করা হচ্ছে সেগুলো আসলে তার নির্বাচনে জেতার কৌশল মাত্র।
লন্ডন থেকে মতিউর রহমান চৌধুরী



XS
SM
MD
LG