অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

রাখাইন দাঙ্গা উপদ্রুত রোহিঙ্গা শরনার্থী প্রসঙ্গে সুলতানা কামালের সাক্ষাত্কার

  • সরকার কবীরূদ্দীন

বর্মার সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার হাত থেকে প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে আসা দেড় হাজারের মতো বর্মি মূসলীম , প্রধানত: নারী ও শিশুকে বাংলাদেশ নাফ নদীর সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ঢুকতে দেয় নি । বলা হচ্ছে বর্মাই এ সমস্যার সমাধান করতে সম্যক সক্ষম । মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও শরনার্থী সমস্যার নিরিখে বাংলাদেশের এহেন অবস্থানের অন্যতম হেতু অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতা ।

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্র দফতরের মূখপাত্র ভিক্টোরিয়া ন্যুল্যান্ড উদ্বেগ ব্যক্ত করে বলেছেন – শরনার্থী সংশ্লিষ্ট নিতি আদর্শ ও শরনার্থীদেরকে নিগ্রহ-নির্যাতনের মুখে ফিরিয়ে না দেওয়ার আন্তর্জাতিক যে দায়বদ্ধতা non-refoulment-এর সেই দায়িত্বের প্রতি বাংলাদেশকে সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান জানাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ।

এশিয়ার মানবাধিকার কমিশনের তরফ থেকেও বর্মা – বাংলাদেশ দু’ দেশকেই রাখাইন প্রদেশের ঐ দাঙ্গার শিকার মানুষজনের জন্যে আশ্রয় ও ত্রাণের ব্যবস্থা করার আবেদন জানানো হয়েছে ।

এসব বিষয়ে কথা বলেছেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মি – ট্রান্সপেরেন্সী ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের চেয়ার এ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল ।

XS
SM
MD
LG