অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

সঙ্কট উত্তরণে একটি সাংবিধানিক সংস্কার কাউন্সিল চান উদ্বিগ্ন নাগরিকরা


সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার ড. এটিএম শামসুল হুদার নেতৃত্বাধীন উদ্বিগ্ন নাগরিক সমাজ দেশের চলমান রাজনৈতিক সংকট উত্তরণে একটি সাংবিধানিক সংস্কার কমিশন গঠনের সুপারিশ করেছেন।
তারা বলেছেন, বর্তমানে যে সংকট চলছে তার মূল কারণ এক ব্যক্তির হাতে একচ্ছত্র ক্ষমতা। মঙ্গলবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক গোল টেবিল আলোচনায় উদ্বিগ্ন নাগরিকরা বলেন, সংসদীয় গণতন্ত্র অনুশীলন করলেও বাংলাদেশে কার্যত প্রেসিডেন্সিয়াল পদ্ধতির শাসন ব্যবস্থা চলছে। সংবিধানে মন্ত্রিসভাকে বাদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর হাতে প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা ন্যস্ত করার একটি বিরল বিধান ১৯৭২ সালেই যুক্ত করা হয়েছিল, যা আজও বহাল আছে।
ড. হুদা বলেন, দেশে নির্বাচনকেন্দ্রিক গণতন্ত্র চলছে। যে দল ক্ষমতায় আসে সে দল ক্ষমতা ছাড়তে চায় না।
সাউথ এশিয়ান লিগ্যাল ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক ব্যারিস্টার মঞ্জুর হাসান তার মূল প্রবন্ধে পূর্ণ গণতন্ত্রের জন্য ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ ও ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দেন।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এম হাফিজ উদ্দিন খান বলেন, প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছার বাইরে সিদ্ধান্ত নিতে অপারগ। কারণ ৭০ অনুচ্ছেদ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত সংসদ প্রেসিডেন্টকে অপসারণ করতে পারে।
আইনবিদ ড. শাহদীন মালিক বলেন, গত ২০ বছরের রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায়, ক্ষমতা যেভাবেই হোক এক ব্যক্তির হাতে কেন্দ্রীভুত হয়ে যাচ্ছে।
রাষ্ট্রবিজ্ঞানী রওনক জাহান বলেন, বিদ্যমান সংবিধানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে যে ক্ষমতা দেওয়া আছে তারও অনুশীলনের ঘাটতি রয়েছে।
সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, সংবিধানে আছে কিছু লোক একত্রিত হলেই দল হতে পারে। কিন্তু এতে দল হয় না, হয় সি-িকেট, সেটাই দেশে চলছে।

ঢাকা থেকে মতিউর রহমান চৌধুরীর রিপোর্ট।


XS
SM
MD
LG