অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

‘বাংলাদেশের গার্মেন্ট শ্রমিকরা ভীতিকর পরিস্থিতি মোকাবেলা করছেন’


আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ মনে করে, রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির ৩ বছর পরও বাংলাদেশের গার্মেন্ট শ্রমিকরা ইউনিয়ন করার ক্ষেত্রে এক ভীতিকর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছেন। এখনও তারা রয়েছেন হস্তক্ষেপের ঝুঁকি ও হুমকিতে। প্রায় সাড়ে ৪ হাজার গার্মেন্টের মধ্যে মাত্র ১০ ভাগের নিবন্ধিত ইউনিয়ন রয়েছে। বাংলাদেশ গার্মেন্ট ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন রাইটস ব্লিক শীর্ষক এই প্রতিবেদনে সলিডারিটি সেন্টার ফেব্রুয়ারি একটি ঘটনাকে প্রামাণ্য হিসেবে হাজির করেছে। এতে বলা হয়েছে, একই গ্রুপের আরেকটি কারখানার কর্মচারীসহ একদল লোক এক ইউনিয়ন নেতাকে প্রহার করে। এ বিষয়ে অভিযোগ দেয়া হলে পুলিশ তা নিতে ব্যর্থ হয়। ২০১২ সালে হত্যা করা হয় সেন্টার ফর ওয়ার্কার্স সলিডারিটি নেতা আমিনুল ইসলামকে। এখনও এই হত্যার যথাযথ তদন্ত হয়নি। ২০১৩ সালের এপ্রিলে রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির উল্লেখ করে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, এই ট্র্যাজেডিতে কমপক্ষে ১১শ’ শ্রমিক নিহত হন।
ওদিকে ট্রানফারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানায়, রানা প্লাজা ধসের পর বিভিন্ন অংশীজনের নেয়া ১০২টি উদ্যোগের মধ্যে ৭৭ শতাংশ বাস্তবায়ন হয়েছে। বাকি ২৩ শতাংশ উদ্যোগ ধীর গতিতে এগুচ্ছে।
ঢাকা থেকে মতিউর রহমান চৌধুরীর রিপোর্ট

XS
SM
MD
LG