অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

হ্যালো ওয়াশিংটন : বাকস্বাধীনতা ও শালীনতাবোধ

  • আনিস অহমেদ

এই বাক স্বাধীনতাকে আমরা যদি আরও খানিকটা সম্প্রসারিত করি , তা হলে বলবো মত প্রকাশের স্বাধীনতা। এই মত প্রকাশের স্বাধীনতা বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত এমন এক অধিকার , যে অধিকারের সংরক্ষণ যে কোন স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে কাম্য । কিন্তু অধিকারের সঙ্গে দাযিত্ববোধের বিষয়টিও চলে আসে। বাক্যেই বলুন , শিল্পকর্মেই বলুন , সাহিত্যেই বলুন , চলচ্চিত্রেই বলুন , ব্যক্তিবিশেষের মত ও ধারনা প্রকাশের পাশাপাশি এ দিকটি ও লক্ষ্য রাখার দায়িত্ব যে এই প্রকাশ যেন কাউকে আহত না করে। বর্ন, ধর্ম , জাতিগোষ্ঠি কোন ভাবেই কারও আবেগে , অনুভূতিতে কিংবা বিশ্বাসে আঘাত হানার অধিকার , ব্যক্তি স্বাধীনতার অধীনে পড়ে কি না , সে নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে। এই সম্প্রতি ইসলামের নবীর প্রতি অবমাননামূলক একটি চলচ্চিত্র , কেবল মুসলমানকে নয় , ধর্ম প্রাণ মানুষ মাত্রকেই আহত করেছে। এই অনাকাঙ্খিত কর্মকান্ডটি করেছে ব্যক্তি বিশেষ , কোন সরকার নয় , কোন রাষ্ট্রও নয়। আর ক্ষুব্ধ জনগোষ্ঠির , যুক্তি নয় , শক্তি প্রয়োগে প্রাণ হানি ঘটেছে নিরপরাধ লোকজনের। সেটিও বলাই বাহুল্য গ্রহণযোগ্য নয়। আজ তাই মতামত প্রকাশের স্বাধীনতার সঙ্গে , শালীনতা বোধ , সংযম প্রয়োগের বিষয়টিও উঠে এসছে , সবার জন্যে ।

আমাদের এই কল ইন শোর অতিথী প্যানেলে আজ রয়েছেন University of Wisconsin এর রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের রোজবুশ , প্রফেসর এমিরেটাস এবং বর্তমানে ফ্লরিডার রোলিঙ কলেজের অ্যাডজাঙ্কট প্রফেসার ড জিল্লুর রহমান খান । আরও আছেন ঢাকা থেকে , ঢাকা বিশ্ববিদালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক এবং ঢাকার দ্য ডেইলি সান পত্রিকার সম্পাদক অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন এবং আছেন কানাডা থেকে World Muslim Congress ‘এর সদস্য এবং শারিয়া বিষয়ক বইয়ের লেখক ও গবেষক ।


XS
SM
MD
LG