অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

হ্যালো ওয়াশিংটন : প্রেসিডেন্ট ওবামার বর্মা সফর এবং যুক্তরাষ্ট্রের এশিয়া নীতি

  • আনিস অহমেদ

আমরা সকলেই জানি যে এ সপ্তার গোড়ার দিকে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা পুর্ব এশিয়ার তিনটি দেশ সফর করেন। থাইল্যান্ড , বর্মা এবং ক্যাম্বোডিয়া। তাঁর বর্মা সফরটি বিশ্ববাসীর দৃষ্টি কাড়ে কারণ তিনিই হচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম ক্ষমতাসীন পেসিডেন্ট যিনি বর্মা সফরে গেলেন। আবার রোহিঙ্গা-রাখাইন সংঘর্ষের কারণেও বিশ্বরে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর এবং বাংলাদেশের দৃষ্টিও বর্মার দিকে। অনেকেই আবার পশ্চিমেও বলেছেন যে প্রেসিডেন্ট ওবামা বোধ হয় , বর্মার সংস্কার সম্পুর্ণতা অর্জনের আগেই সে দেশ সফর করেন। বস্তত আওন সান সূচি ও তাঁর এক ভাষণে বলেছেন যে বর্মার সংস্কার এখন ও অনেকটা মরিচিকার মতো হয়ে আছে। তবে প্রেসিডেন্ট ওবামা ও বলেছেন যে বর্মা সফর সেখানকার প্রশাসনের প্রতি কোন স্বীকৃতির প্রতীক নয় , সংস্কার সাধনে এ পর্যন্ত যতটুকু অগ্রগতি সাধিত হয়েছে তার প্রতি প্রেরণা প্রদান। তবে বর্মায় নয় ততটা , যতটা মানবাধিকার প্রসঙ্গে ওবামা খানিকটা কড়া বক্তব্য রেখেচেন ক্যাম্বোডিয়ায় । তবে ওবামার এই সফরকে কেবল মাত্র বর্মা বা কাম্বোডিয়া প্রসঙ্গ দিয়ে নয় , এশিয়ায় , বিশেষত পুর্ব এশিয়ায় , দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির দৃষ্টিকোণ দিয়েও বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন । আমাদের শ্রোতাদের জিজ্ঞাসা এবং অতিথিদের জবাবের মাধ্যমে আমরা এ সব প্রসঙ্গে আলোকপাত করবো।

আমাদের অতিথি প্যানেলে টেলি সম্মিলনী লাইনে যোগ দিয়েছেন , ঢাকা থেকে রিসার্চ ইনিশিয়াটিভস বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ড মেঘনা গুহঠাকুরতা, রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির পলিটিক্স এন্ড গভর্ণমেন্ট বিভাগের প্রধান ও অধ্যাপক ড আলী রীয়াজ । আরো আছেন কোলকাতা থেকে দ্য হিন্দু পত্রিকার বিউরো চীফ শ্রী বরুণ দাশগুপ্ত। শ্রোতাদের প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে আমরা এই বিষয়টির ওপরই আজ আলোকপাত করবো।

XS
SM
MD
LG