অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে জিএসপি ফিরে পেতে নানামুখী প্রচেষ্টা


জিএসপি ফিরে পেতে
নানামুখী প্রচেষ্টা
জিএসপি ফিরে পেতে মরিয়া বাংলাদেশ। ২০১৩ থেকে ২০১৫ এই সময়ে মার্কিন শর্তগুলো বাস্তবায়ন করেছে। কূটনৈতিক লবিও জারি রেখেছে। মার্কিন প্রশাসনকে বুঝানোর চেষ্টা করছেÑ যে অভিযোগে তারা এই সুবিধা স্থগিত করেছিল, সেই অভিযোগ আর নেই। ১৬ দফা কর্মপরিকল্পনা অক্ষরে অক্ষরে পালিত হয়েছে। কিন্তু মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি দল এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত নয়, বাংলাদেশের গার্মেন্টসে সঠিক কর্মপরিবেশ আছে কিনা। এই মুহূর্তে মার্কিন সহকারি বাণিজ্য প্রতিনিধি মাইকেল ডিলানির নেতৃত্বে ঢাকায় রয়েছে একটি উচ্চপর্যায়ের বাণিজ্য প্রতিনিধি দল। শনিবার দীর্ঘ সময় ধরে সরকারের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। তবে চূড়ান্ত কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। বিজিএমইএ’র এক প্রতিনিধি দলের সঙ্গেও রোববার রাতে বৈঠক হয়েছে। বৈঠকগুলোতে মার্কিন প্রতিনিধিরা সরকারের স্বীকৃত কারখানার সংখ্যা নিয়ে বেশকিছু প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন। বাংলাদেশ সরকারের তরফে বলা হয়েছে, বিভ্রান্তির কিছু নেই; দেশে ৩৭৫০টি কারখানা রয়েছে। মার্কিন প্রতিনিধিরা আরেকটি বিষয় সামনে এনেছেন। আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করে এসব কারখানা নিয়মিত পরিদর্শন করা হয় কিনা। এসব প্রশ্নের পর ঢাকার কর্মকর্তারা চটজলদি জিএসপি ফেরত পাওয়া যাবে, এটা ভাবছেন না। যদিও বিজিএমইএ’র সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলছেন, জিএসপি ফিরে না পেতে এখন আর কোন কারণ তিনি দেখছেন না।

মতিয়ুর রহমান চৌধুরীর রিপোর্ট:

XS
SM
MD
LG