অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বাংলাদেশে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে ভয়েস অফ আমেরিকার বিশেষ প্রতিবেদন


বাংলাদেশে ঢাকা ও চট্টগ্রামে তিন সিটি পৌর নির্বাচন উপলক্ষ্যে ভয়েস অফ আমেরিকার বিশেষ পরিবেশনা। আমাদের একঘন্টার এই অনুষ্ঠানে থাকছে ঢাকা সংবাদদাতাদের রিপোর্ট। নির্বাচন সম্পর্কে পটভূমি প্রতিবেদন, সাক্ষাতকারভিত্তিক পর্যালোচনা, এবং আমাদের সঙ্গে টেলিফোনে যোগ দেবেন বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদ বিশ্লেষকরা। আজ স্টুডিওতে যোগ দিচ্ছেন রোকেয়া হায়দার, শাগুফতা নাসরীন কুইন ও আহসানুল হক। আজকে টেলিফোনে যোগ দিয়েছেন ঢাকা থেকে মানবজমিন পত্রিকার সম্পাদক ও আমাদের সংবাদাতা মতিউর রহমান চৌধুরী এবং নিউইয়র্ক থেকে সংবাদ বিশ্লেষক, প্রবীন সাংবাদিক সৈয়দ মোহাম্মদউল্লা। অনুষ্ঠানের মাঝে শ্রোতাদের মন্তব্য, মতামতও শোনাবো। আমাদের টেলিফোন লাইন খোলা আছে ২০২ ৬১৯ ৩১২১। শ্রোতারা অনুষ্ঠানচলাকালে বা তার আগে ফোন করতে পারেন আপনাদের ফোন নম্বর জানালে আমরা স্টুডিও থেকে যোগাযোগ করবো।

চট্টগ্রামে চলেছিল জোরদার প্রচারনা সেখানে দেখা গেছে সুন্দরভাবে, শান্তিপূর্ণভাবে, প্রচার অভিযান চালানো হয়। ভোটাররা মনে করছেন তার শান্তিতে ভোট দিতে পারবেন। ভোটাররা ভোট দিতে যাবেন এবং নির্বিঘ্নে ভোট প্রদান করবেন। মুরাদপুর, এনায়েত বাজার, হালিশহরের ভোটাররা বলেন, এ বছরের প্রচারনা দেখে মনে হলো সবাই কি কি কাজ করবেন তা সুন্দরভাবে লিফলেটে তুলে ধরছেন। এ বছর অনলাইন প্রচারনাও চালানো হয়। যুবসমাজের কাছে, তরুন নতুন ভোটারদের কাছ পৌঁছানোর জন্য তারা ব্যবহার করছেন সোশ্যাল মিডিয়ার প্রচার ব্যবস্থা। এবার ডিজিটাল বাংলাদেশের যে উদ্যোগ চলছে তারই একটা প্রতিফলন দেখা যচ্ছে।

মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, বিগত তিনমাসের হানাহানির পর আশংকা ছিল এই নির্বাচনে কি হবে। বেগম খালেদা জিয়ার গাড়ীর ওপর হামলার কারণেও উদ্বেগ দেখা দেয়। তবে জাতিসংঘ, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইওরোপীয় ইউনিয়ন সবাই বলছে এই নির্বাচন বাংলাদেশের জন্য একটা বুনিয়াদ তৈরী করবে, গনতন্ত্রের জন্য একটা ভাল দিক।

নিউইয়র্ক থেকে সৈয়দ মোহাম্মদউল্লা সেনা মোতায়েন প্রসঙ্গে বলেন, অতীতে নির্বাচনের সময় নিরাপত্তা রক্ষায় সেনাবাহিনীর ভুমিকা স্বচ্ছ ছিল না।

জামালপুর থেকে শ্রোতা সবুজ মাহমুদ বলেন, গত বছর ৫ই জানুয়ারীর নির্বাচন নিরপেক্ষ না হওয়ায় জনগন এবার কাংখিত নির্বাচনী আমেজ চান এবং স্বতঃস্ফুর্তভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চাচ্ছেন।

নিউইয়র্ক থেকে শ্রোতা আকবর হায়দার কিরণ আশা করেন যে, নির্বাচনে কেউ যেন কোন কুটকৌশল অবলম্বন না করেন, যেন শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন হয়।

যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU),ব্রিটেন, ঢাকায় অবস্থিত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠন, বিভিন্ন বিদেশী দূতাবাস, বিভিন্ন বিদেশী বেসরকারি সংগঠন, এবং স্থানীয় বিভিন্ন সংস্থা মঙ্গলবার ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ এবং চট্টগ্রামের সিটি করপোরেশনের নির্বাচন পর্যেবেক্ষণ করবে। এ সম্পর্কে ঢাকা থেকে বিস্তারিত জানিয়েছেন জহুরুল আলম।

পৌর সভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে ঢাকা ও চট্রাগ্রামকে – বি এন পি এবং আওয়ামি লীগ পরস্পর বিরোধী অভিযোগ করছে-জনমনে নির্বাচন নিয়ে আগ্রহ থাকলেও আতংকও রয়েছে। জানাচ্ছেন ঢাকা থেকে আমাদের সংবাদদাতা আমীর খসরু।

আসন্ন সিটি কর্পোরেসন নির্বাচন নিয়ে বন্দর নগরী চট্টগ্রামের ভোটাররা কি ভাবছেন? ভবিৎষত মেয়রের কাছে তাদের প্রত্যাশা কি? তা জানতে সাবরিনা চৌধুরী কথা বলেছেন চট্টগ্রামের কয়েকজন ভোটারদের সাথে।

ভয়েস অফ আমেরিকাকে, চট্টগ্রামের হালিশহর থেকে, এ বি এম খালেদুজ্জামান বললেন, চট্টগ্রামে সবচেয়ে শান্তিপূর্নভাবে নির্বাচনের প্রচারকার্য চলেছে।

এনায়েত বাজার থেকে সাজিদ হোসেন উল্লেখ করলেন, অনলাইন ক্যাম্পেইন এর কথা। অর্থাৎ চিরাচরিত নির্বাচনী প্রচারনার বাইরে, এবারের প্রচারনায় প্রার্থীরা যুবসমাজের কাছে পৌছাতে ইন্টারনেট, এবং বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম ব্যাবহার করেছেন। তার প্রত্যাশা, নির্বাচনের পরেও তারা সামাজিক মাধ্যমে তাদের পেইজগুলো খোলা রাখলে, জনসাধারন তাদের সমস্যা এবং দাবি দেওয়ার কথা তুলে ধরতে পারবেন।

মুরাদপুর এর বাসিন্দা ভোটার আফফান বিন মর্তুজা, বললেন শিক্ষাক্ষেত্রে চট্টগ্রামে, সিটি কর্পোরেশন এর আওতায় আরো কলেজ প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন।

চট্টগ্রামের ভোটারদের প্রত্যাশা থেকে উঠে এসেছে, চট্টগ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দয্য সংরক্ষন, জলাবদ্ধতা দূরীকরন, উন্নত জনপরিবহন ব্যাবস্থা, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ মুক্ত চট্টগ্রাম তাঁরা দেখতে চান।

XS
SM
MD
LG