অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

শরীফ উল হক
ঢাকা রিপোর্টিং সেন্টার
সহযোগিতায়- ইউএসএআইডি এবং ভয়েস অফ আমেরিকা
একটা সময় ছিল যখন বাংলাদেশের মানুষ স্বাস্থ্যতথ্য গ্রহণে রক্ষণশীল অবস্থায় ছিল। কিন্তু এখন সময় পাল্টেছে। স্বাস্থ্য সেবাদানের পাশাপাশি স্বাস্থ্যতথ্য সবার কাছে পৌঁছে দেয়া একটি গুরুত্বপূর্ন বিষয়। সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য-সেবা পাওয়ার যেমন অধিকার রয়েছে তেমনি তথ্য জানারও অধিকার রয়েছে। ইউএসআইডি বাংলাদেশের পাবলিক হেলথ বিশেষজ্ঞ ড.সামিনা চৌধুরী বললেন- তথ্য জানানোর জন্য স্বাস্থ্যকর্মী’র দরকার তথ্যভান্ডার এবং সেবাগ্রহীতার জন্য দরকার একটি সমন্বিত তথ্য যোগাযোগ ব্যবস্থা।

বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের আইইএম এবং ডিজিএফপি এর লাইন ডিরেক্টর জনাব গনেশ চন্দ্র বললেন, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের প্রধান কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে তথ্য এবং সেবা প্রদান। পাশাপাশি বাড়িতে সন্তান প্রসবের হার ৭০ থেকে ৫০ শতাংশে নামিয়ে আনার জন্য প্রধানমন্ত্রীর যে অঙ্গীকার রয়েছে সেটা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে পরিকল্পনা অধিদপ্তর। এছাড়াও বিভিন্ন মিডিয়াতে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের নিজস্ব অনুষ্ঠান রয়েছে যেগুলোর মাধ্যমে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আরো কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে সামাজিক প্রচারণা।

বিকেএমাই-এর প্রজেক্ট ডিরেক্টর রেবেকা আরনল্ড বললেন, বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি খাতে বিকেএমাই কাজ করছে স্বাস্থ্য তথ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে। বাংলাদেশ সরকারের সাথেও সমন্বিত স্বাস্থ্যতথ্য যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে নিবিড়ভাবে কাজ করছে বিকেএমাই।

এরই সাথে যেসব বিভিন্ন আন্তর্জাতিক এবং দেশীয় সহযোগী সংস্থা বাংলাদেশে কাজ করছে,তাদের কথা বললেন জনাব গণেশ। ইউএনএফপিএ, ইউনিসেফ, এবং ইউএসাইডির কথা উল্লেখযোগ্য।
একটি সমন্বিত তথ্য সেবা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে শহর ও গ্রামীন সমাজে এখনো কিছু সমস্যা রয়ে গেছে। যা সমাধানে দরকার কিছু পদক্ষেপ গ্রহণের। গণমাধ্যমে আরো প্রচার কিভাবে বাড়ানো যায় সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং গ্রামীণ সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধিতে উঠোন বৈঠক একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

তথ্য জানা আমাদের অধিকার। তাই জানব, মানব এবং অন্যকেও উৎসাহিত করব। এই হোক আমাদের অঙ্গীকার।

XS
SM
MD
LG