অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ঢাকায় প্রথম স্বাস্থ্য তথ্য বিষয়ক আঞ্চলিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত


ঢাকায় প্রথম স্বাস্থ্য তথ্য বিষয়ক আঞ্চলিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ঢাকায় প্রথম স্বাস্থ্য তথ্য বিষয়ক আঞ্চলিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

আঙ্গুর নাহার মন্টি

ঢাকা রিপোর্টিং সেন্টার

সহযোগিতায় - ইউএসএআইডি ও ভয়েস অফ আমেরিকা

ই এবং এম-স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে গত সপ্তাহে প্রথমবারের মতো ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো স্বাস্থ্য তথ্য বিষয়ক আঞ্চলিক সম্মেলন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউবিএস অপটিমাস ফাউন্ডেশন ও জিআইজেড‘র সহায়তায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় রাজধানীর হোটেল রূপসী বাংলায় এই সম্মেলনের আয়োজন করে।

সম্মেলনে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো ছাড়াও ফিলিপাইন, সুইজারল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশের জনস্বাস্থ্য, স্বাস্থ্য তথ্য ও এম-স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষজ্ঞরা নিজেদের অর্জন ও চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন। আলোচনা করেন কম্পিউটার ও মুঠোফোন বিপ্লবের যুগে ই এবং এম-স্বাস্থ্যসেবা জোরদার ও সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও।

ইউএসএআইডি’র ফরেন সার্ভিস অফিসার অ্যালিসন বিয়ার এ সম্মেলন প্রসঙ্গে বলেন, প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই আঞ্চলিক তথ্য সম্মেলন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এখানে দক্ষিণ এশিয়ার বিশেষজ্ঞরা একে অপরের ভাল কাজগুলো শেয়ার করেছেন। দু’দিনে মূল্যায়ন করা গেছে, এই ক্ষেত্রে বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান কোথায়। আমরা দেখেছি, বাংলাদেশ এই প্রযুক্তি গ্রহণ ও ব্যবহারের ক্ষেত্র্র্রে বেশ এগিয়ে আছে।

এম-পাওয়ার সোশাল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মৃদুল চৌধুরী বলেন, এই সম্মেলনের উদ্দেশ্য হচ্ছে ই এবং এম-স্বাস্থ্যসেবায় এই অঞ্চলে যে কাজগুলো হচ্ছে তা এক দেশ অন্য দেশের কাছ থেকে শেখা। আমরা কয়েকটা জায়গায় এগিয়ে আছি। বাংলাদেশ সরকার এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে যা খুব কম দেশেই হচ্ছে। আমরা সরকারের নেতত্বের ক্ষেত্রে অন্য দেশের তুলনায় বেশ এগিয়ে রয়েছি।

সম্মেলনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম ই এবং এম-স্বাস্থ্যসেবা টেকসই ও সম্প্রসারণে সরকারের আন্তরিক ও রাজনৈতিক সদিচ্ছা রয়েছে বলে জানান। তিনি ডাক্তারদের আরো দায়িত্বশীল হওয়ার এবং গ্রামে থেকে দরিদ্র মানুষদের চিকিতসা সেবা দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর স্বাস্থ্যসেবা গড়ে তুলেছে। সরকার বা রাষ্ট্র যতই প্রযুক্তি নির্ভর স্বাস্থ্য সেবা চালু করুক না কেন, ডাক্তাররা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে না থাকলে এবং দায়িত্ব পালন না এটি বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না।

এদিকে ই এবং এম-স্বাস্থ্য সেবা প্রকল্পগুলো চালাতে প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন খাতে একটি বিশাল অংকের ব্যয় রয়েছে। দাতাদের অর্থায়ন ছাড়া প্রকল্পগুলো টিকিয়ে রাখাটা অদূর ভবিষ্যতে এই অঞ্চলের সরকারগুলোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। ফলে সম্মেলনে প্রকল্পগুলোকে টেকসই করার কৌশল নির্ধারণের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।

XS
SM
MD
LG