অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

শরীফ উল হক
ঢাকা রিপোর্টিং সেন্টার
সহযোগিতায় – ইউএসএআইডি এবং ভয়েস অফ আমেরিকা

মানুষের জন্যই মানুষ। সংকটে, বিপদে মানুষই ছুটে এসে সাহায্য করবে এই প্রত্যাশা আমরা করতেই পারি। না হলে মানব-জন্ম অনেকটাই অসম্পূর্ন থেকে যাবে।

সময়টা ২০০৩ সাল। ইরাকের বাগদাদে জাতিসংঘ অফিসে বোমা হামলা হল। প্রাণ দিলেন ২২ জন স্বেছাসেবী ও বেসামরিক মানুষ।

মানবসেবায় জীবন দানকারী এইরকম হাজারো মানুষের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই ২০০৮ এর ডিসেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ১৯ আগস্ট বিশ্বব্যাপী ‘বিশ্ব মানবিক দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সারা বিশ্বের মত প্রতিবছর বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হয় । এ বছর দিবসের প্রতিপাদ্য ‘বিশ্বের আরো প্রয়োজন’।


মানুষের মধ্যে এমন অনেকেই আছেন যারা বিপদের জন্য প্রস্তুত থাকেন। প্রয়োজনে প্রশিক্ষণ নিয়ে থাকেন তারা। আমাদের তরুণ সমাজ এখন অনেক বেশি সচেতন এই কাজে। যার উদাহরণ আমরা দেখতে পেয়েছি রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় সবার সম্মিলিত উদ্ধার চেষ্টায়।

যুদ্ধক্ষেত্র কিংবা অন্যের সেবায় ঝুঁকি নিয়ে থাকেন এমন মানুষের সংখ্যা পৃথিবীতে কম নয়। হোক প্রশিক্ষিত অথবা আনকোড়া, বিপদে ছুটে যায় হাজারো স্বেচ্ছাসেবী। এমন উদাহরণ বাংলাদেশে অনেক। কিন্তু তাদের যদি প্রশিক্ষণ দেয়া যায় তাহলে গড়ে তোলা সম্ভব বিশাল এক কর্মী বাহিনী যারা কাজ করবে প্রাকৃতিক দুর্ঘটনাসহ নানামুখী কাজে। বাংলাদেশে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে এই ক্রমপত্র। বিভিন্ন সরকারী এবং বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বেচ্ছাসেবী তৈ্রির কাজ চলছে।

সবারই সুযোগ আছে একজন স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে গড়ে উঠার। আপনার আমার সকলের। এগিয়ে আসতে পারেন আপনিও। দাঁড়াতে পারেন মানুষের বিপদে তার পাশে। হয়ে উঠতে পারেন ‘মানুষের মত মানুষ’।

XS
SM
MD
LG