অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

শরীফ উল হক
ঢাকা রিপোর্টিং সেন্টার
সহযোগিতায় – ইউএসএআইডি এবং ভয়েস অব আমেরিকা

পবিত্র রমজানের পরে খুশির ঈদ । প্রিয় মানুষদের সঙ্গ, ঈদের ছুটির আনন্দ আর নানারকম মুখরোচক খানাপিনা… ষোলকলা পূর্ণ একেবারে । দীর্ঘ এক মাসের রোজার পরে, অন্তরঙ্গ ঘরোয়া পরিবেশে মুখের আগল খুলে যাবে, সেটাই তো স্বাভাবিক । কিন্তু রমজানে শরীর এক রকম অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে, হঠাৎ অতিরিক্ত খাবারে শরীর যন্ত্র যেতে পারে বিগড়ে । ঈদের আনন্দের মাঝে শারিরীক যন্ত্রণা টেনে আনার কোনো মানে হয় না । তাই ঈদে বা তার পরের কয়েক দিন খাদ্যাভ্যাস কেমন হলে ভালো হয় সেই পরামর্শ জানাচ্ছেন উত্তরা ক্রিসেন্ট হাস্পাতালের পুষ্টি বিশেষজ্ঞ আফসানা শাম্মী ।
ঈদের সকাল,দুপুর এবং রাতের আয়োজনটি কেমন হতে পারে? সকালটা শুরু হয় মিষ্টি দিয়ে,সাথে দুপুরে থাকে ভারী খাবার । রাতে কিছুটা সবজি হতে পারে অথবা এক গ্লাস দুধ হতে পারে ।তাহলে সারা দিনের খাবারের একটা ব্যালেন্স হয়ে যায় ।
ঈদে নাড়ীর টানে বাড়ি ফিরেছেন অনেকেই । ফার্স্ট এইড বক্স সাথে নিতে তো ভুলবেনই না এবং ভিন্ন পরিবেশে ফুড পয়েজনিং কিংবা পেটের পীড়ায় যদি পড়েন তাহলে কি করবেন? সাথে ওরস্যালাইন এবং প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ রাখতে হবে।
যারা দীর্ঘস্থায়ী রোগে ভুগছেন যেমন ডায়বেটিকস,কিডনী সমস্যা,উচ্চ রক্তচাপ কিংবা অন্যান্য সমস্যা তাদের ক্ষেত্রে রয়েছে কিছু দিকনির্দেশনা । তারা,নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ো ওষুধ চালিয়ে যাবেন ।

আমাদের প্রায় প্রত্যেকের পরিবারেই রয়েছেন বয়োজ্যেষ্ঠ । খুব সহজেই তাদের জন্য এমন কিছু খাবার তৈরী করা যায় যাতে করে তাদের শরীরে সহজেই মানিয়ে যায় । সাথে নজর দেয়া প্রয়োজন গর্ভবতী মায়েদের দিকেও । বিশেষ করে পুষ্টিকর খাবার যেন মা পান,সেভাবে খাবার তৈরী করতে হবে।

এবারের ঈদ হচ্ছে ঋতু পরিবর্তনের সময়টাতে । এই সময়ে শিশু এবং প্রবীণদের থাকতে হয় কিছুটা সাবধানে । ঠাণ্ডা জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে এবং গ্রামে গিয়ে বৃষ্টিতে ভেজা বলবে না।

ঈদ বয়ে নিয়ে আসে আমাদের জন্য অনাবিল আনন্দ । সেই খুশি,আনন্দের ঝাপটা লাগুক সবার প্রানে প্রতিক্ষন ।
সাথে শরীর থাকুক সুস্থ্য । এই প্রত্যাশা আমাদের সকলের ।

XS
SM
MD
LG