অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ওয়াশিংটনে সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক এ্যাণ্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের আলোচনা সভায় ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা

  • রোকেয়া হায়দার

ওয়াশিংটনে সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক এ্যাণ্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের আলোচনা সভায় ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা

ওয়াশিংটনে সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক এ্যাণ্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের আলোচনা সভায় ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা

বিশ্বের সবচাইতে বড় বেসরকারী উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ রুরাল এ্যাডভান্সমেন্ট কমিটি – ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা – চেয়ারপার্সন স্যার ফজলে হাসান আবেদ ১৯৭স সালে যুদ্ধ পরবর্তী বাংলাদেশের পুনরগঠন - উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে লণ্ডন থেকে দেশে ফিরে যান । তারপর চার দশক পেরিয়ে ব্রাকের উন্নয়ন কর্মসূচী শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ক্ষুদ্রঋণ ব্যবস্থা, নারী ও শিশুর স্বাস্থ্য পরিচর্যা, দারিদ্র্য নিরসন - সব ক্ষেত্রেই বিশেষ অবদান রেখে চলেছে । সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক এ্যাণ্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের আলোচনা সভায় তিনি বর্তমানে সবচাইতে ঝুঁকিপূর্ণ সংঘর্ষ জর্জরিত দেশ আফগানিস্তান ও সুদানের ব্র্যাকের কর্মসুচী তুলে ধরেন । যা কিনা ১৯৭২ সালে যখন লক্ষ লক্ষ শরণার্থী ভারত থেকে দেশে ফিরে যাচ্ছিল, যুদ্ধ পরবর্তী বাংলাদেশে ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠা লগ্নের কর্মসূচীর চাইতে ভিন্ন । সেইসময় তিনি লণ্ডনে তার বাড়ী বিক্রী করে মাত্র ৮ হাজার পাউণ্ড নিয়ে দেশে ফিরেছিলেন।
তিনি বলেন, ব্র্যাক দারিদ্র্য নিরসনের জন্য কাজ করছে । প্রধানতঃ গরীব জনসাধারণ ও তাদের জীবিকার ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করছে । তাদের স্বাস্থ্য - শিক্ষা বিষয়ে কর্মসূচী গ্রহণ করেছে ।
ব্র্যাক পাকিস্তানে সামপ্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় সাহায্য করছে । তবে আগে থেকেই পাকিস্তানে ক্ষুদ্র ঋণ কর্মসূচী চালু করেছে । আফগানিস্তানে তার উন্নয়ন কর্মসূচী শুরু করেছে ২০০২ সালে । ব্র্যাকের প্রকল্পে স্থানীয় মহিলারাও কাজ করছেন । ডঃ আবেদ বললেন, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের শরণার্থীদের কথা স্মরণ করে আমি আফগানিস্তানে কাজ শুরু করি । সে দেশে ব্র্যাকের ক্ষুদ্র ঋণ, স্বাস্থ্য পরিচর্যা ও শিক্ষা কর্মসূচী রযেছে । আর জাতীয় সংহতি কর্মসূচির অধীনে ব্রাক স্থানীয় গ্রামবাসীদের প্রয়োজন ও সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের মতামতের ভিত্তিতে বিশেষ বিশেষ উন্নয়ন কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে ।

XS
SM
MD
LG