অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

টানটান উত্তেজনা আর কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ফ্রান্সের জনগণ আগামীকাল রবিবার তাদের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট দিতে যাচ্ছেন। অথচ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বিগত সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল।

বিশ্লেষকরা প্রশ্ন তুলেছেন, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়লাভে তুরুপের তাস হিসেবে ডনাল্ড ট্রাম্পের অনুসরণ করা কট্টর জাতীয়তাবাদী আদর্শই ব্যবহৃত হতে যাচ্ছে কিনা? যদিও অস্ট্রিয়া এবং নেদারল্যান্ডসে উগ্র দক্ষিণপন্থী দলগুলো সাম্প্রতিক নির্বাচনে সুবিধা করতে পারেনি।

জনমত জরিপে ম্যানুয়েল ম্যাকরন এগিয়ে থাকলেও বৃহস্পতিবার রাতের সন্ত্রাসী ঘটনা ম্যারিন লি পেনকে অবিশ্বাস্যভাবে সামনে নিয়ে এসেছে। লি পেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অনুসারি। ট্রাম্প নিজেও এক টুইট বার্তায় এ নির্বাচন নিয়ে সতর্ক মন্তব্য করেছেন। বলেছেন, সম্ভবত পুলিশ হত্যার পর লি পেন বাড়তি সুবিধা পেয়ে যেতে পারেন।

নির্বাচনে চার কোটি ৭০ লাখ ভোটার, এরমধ্যে ১৫ লাখ বিদেশে। সন্ত্রাসে কাতর দেশটিতে জরুরি অবস্থার মধ্যেই নির্বাচন হতে যাচ্ছে। ৫০ হাজার পুলিশ, সাত হাজার সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

ফ্রান্সের নির্বাচন নিয়ে ভয়েস অফ আমেরিকার ওয়াশিংটন স্টুডিও থেকে সরকার কবীরূদ্দীন কথা বলেন বাংলাদেশী ফ্রেঞ্চ নাগরিক এবং দেশটির ভোটার মুনির কাদের এর সঙ্গে। মুনির কাদের ফ্রান্সের একটি আর্ট গ্যালারীতে কাজ করেন।

XS
SM
MD
LG