অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

গ্রীসে আটকা পড়ে আছে ৬০,০০০ শরণার্থী


Syrian refugees stand in queue to receive food distributed by a non-governmental organization at a refugee camp in the Greek-Macedonian border near the village of Idomeni, Thursday, Feb. 25, 2016.

Syrian refugees stand in queue to receive food distributed by a non-governmental organization at a refugee camp in the Greek-Macedonian border near the village of Idomeni, Thursday, Feb. 25, 2016.

গ্রীসে ‘মর্মান্তিক ও অনিরাপদ’ পরিস্থিতিতে আটকা পড়ে আছে প্রায় ৬০ হাজার শরণার্থী। মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এ তথ্য দিয়ে বলেছে, গত বছর ১ লাখ ২০ হাজার শরণার্থী গ্রহণে ইইউ নেতাদের মধ্যে চুক্তি হয়েছিল। তা সত্ত্বেও, অনেক দেশ প্রতিশ্রুত সংখ্যার ৫ শতাংশেরও কম শরণার্থী নিয়েছে। কিছু দেশ কোন শরণার্থীই নেয়নি। অ্যামনেস্টি বলেছে, এভাবে চলতে থাকলে প্রতিশ্রুতি পূরণে ১৮ বছর লাগবে ইউরোপিয়ান দেশগুলোর। সংস্থাটি আরও অভিবাসী গ্রহণ এবং স্থানান্তরের গতি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ইউকে’র শরণার্থী ও অভিবাসন অধিকার প্রোগ্রাম পরিচালক স্টিভ সায়মন্ডস বলেন, গ্রিস এক ‘আত্মার গুদামঘরে’ পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আটকে পড়া নারী-পুরুষ ও শিশুরা যে মর্মান্তিক পরিস্থিতির সম্মুখীন, তার জন্য ইউরোপীয় নেতাদের সামগ্রিক ব্যর্থতাও অংশত দায়ী।’ অ্যামনেস্টির প্রতিবেদন অনুযায়ী, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি ও পোল্যান্ড এখন পর্যন্ত কোন শরণার্থী নেয়নি। প্রতিশ্রুত সংখ্যার ৫ শতাংশেরও কম শরণার্থীকে স্থানান্তরিত করেছে বেলজিয়াম, বুলগেরিয়া, চেক রিপাবলিক, ক্রোয়েশিয়া, জার্মানি, স্লোভাকিয়া ও স্পেন। গ্রিসজুড়ে বিভিন্ন বন্দিশিবিরে একাকী আটকা পড়ে আছে ১৪৮০ জন শিশু। আটকে থাকা অনেকে গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা, তীব্র মানসিক চাপ ও বিষন্নতায় ভুগছে।
লন্ডন থেকে মতিউর রহমান চৌধুরীর রিপোর্ট।


XS
SM
MD
LG