অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

কৃচ্ছ্রতার প্রশ্নে গ্রীসের গণভোটের না সূচক রায় ও তার প্রতিক্রিয়া


গ্রীসের ভোটারেরা, দেশটির ঋণদাতারা আরো কড়াকড়ির কৃছ্রতার জন্যে যে চাপ দিচ্ছিলো সে চাপের মুখে অনুষ্ঠিত গণভোটে দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন।য়ুরোপিয় নেতারা কৃচ্ছ্রতা না মানলে ১৯ জাতি য়ুরো মুদ্রা অঞ্চল থেকে দেশটিকে বেরিয়ে যেতে হবে বলে কড়া ভাষায় যে দাবি জানিয়ে আসছিলেন,ভোটের ফলাফলে সে দাবি ৬১ শতাংশ না রায়ে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে।

গ্রীসের হাজার হাজার মানুষ রবিবার এ্যাথেন্সের প্রধান চৌমাথায় দাঁড়িয়ে সমস্বরে চিত্কার করে না না শব্দে গণভোটের ঐ ফলাফল সোচ্চার করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী এ্যালেক্সিস সীপ্রাস আগে থেকেই এ না ভোটের পক্ষে ছিলেন। তিনি বলেছেন এ্যাথেন্স এখন ঋণদাতাদের সঙ্গে টেবিলে বসে নিস্পত্তি আলোচনায় রফা করতে রাজি আছে। স্বভাবত:ই তাঁর কাংখিত এই না ভোটের আধিক্য তাঁকে আলোচনার টেবিলে একটা শক্ত অবস্থানে গ্যাঁট হয়ে বসতে মদত জোগাবে যে- বলাই বাহুল্য।

ওদিকে আবার আজ সোমবার অর্থমন্ত্রী ইয়ানীস ভারৌফাকিস সবাইকে চমকে দিয়ে পদত্যাগ করেছেন- অথচ এই ইনিই আগে বলেছিলেন,দেশের মানুষ কৃচ্ছ্রতার পক্ষাবলম্বনে ভোট দিলে ইস্তফা দেবেন তিনি।ভারৌফাকিস বলেছেন-অর্থমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে না বসলে বিশেষ কিছু রেয়াত পাওয়া যেতে পারে বলে, এমনটিই য়ুরো যোনের কিছু সদস্য তাঁকে অবহিত করেছেন।

ঋণদাতাদের সঙ্গে অতীতে-গত কয়েক মাসে – বেশ ক’বারই তাঁর খমমট হয়েছে।মুদ্রা ভান্ডার আই-এম-এফের ঋণ পরিশোধ কিস্তির এক শ’ ৮০ কোটি ডলার দিতে অপারগ হয়েছে এ্যাথেন্স আর তাতেই য়ুরোপিয় নেতারা বলেন-এই না ভোটের অর্থ এখন এই দাঁড়াচ্ছে যে-গ্রীস য়ুরো মুদ্রা অঞ্চল থেকে বেরুতে চাইছে-য়ুরোপের সঙ্গে তার রাজনৈতিক গাঁটছড়া খুলতে চায় এখন সে।

জার্মানীর অর্থ মন্ত্রণালয়ের মূখপাত্র বলেছেন- এখন আর আলোচনার কোনো অবকাশ আছে বলে মনে হয়না।

ফ্রান্সের অর্থমন্ত্রী বলেছেন-আরো আলোচনায় এখন আর কিই বা হবে- বর্তমানে ঋণ পরিশোধ পরিস্থিতি যে অবস্থানে রয়েছে তা থেকে উঠে আসতে গ্রীসের বহূ মাস – বলতে কি বহূ বছর সময় লেগে যাবে।

য়ুরোপিয় য়ুনিয়ন বলছে-গণভোটের ফলাফল সম্পর্কে শ্রদ্ধাবোধ রয়েছে তাদের।ভয়েস অফ এ্যামেরিকার রিপোর্ট- পড়ছেন সরকার কবীরূদ্দীন।


XS
SM
MD
LG