অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

প্রেসিডেন্ট পদে ডেমোক্রেট দলে জনপ্রিয় ও প্রধান প্রার্থী হিলারী ক্লিনটন


পরবর্তী প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাচন হবে আরো প্রায় দু’বছর পর। ডেমোক্রেটদের মধ্যে প্রেসিডেন্ট পদে লড়ছেন যারা তাদের মধ্যে অন্যতম প্রধান হচ্ছেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারী ক্লিনটন। জনমত জরিপে ক্লিনটনের জনপ্রিয়তা অনেক বেশী এবং এ বছর শেষের দিকে হোয়াইট হাউজের উত্তরসূরীর লড়াইয়ে সিদ্ধান্ত হবে। ২০১৬ সালের এই লড়াইয়ে ক্লিনটনের সম্ভাব্য প্রার্থী হওয়ার বিয়টিই শোরগোল তুলেছে বেশ।

তিনি হয়ত প্রেসিডেন্ট প্রাথী নাও হতে পারেন। কিন্তু তবুও হিলারী ক্লিনটন সভা সমাবেশ বক্তৃতা দিচ্ছে, স্কুলের বাচ্চাদের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন; সম্প্রতি কন্যা চেলসিয়ার মা হবার ঘোষণার পর তার নানী হবার প্রস্তুতি।

“এ বছরের শেষদিকে আমাদের প্রথম সন্তান আসছে; মার্ক এবং আমি ভীষণ উত্তেজিত”।

নাতি হবার সংবাদে উত্তেজিত হিলারী নিজেও। কিন্তু রাজনৈতিক বিষয়ে এখনো খানিকটা নীরব তিনি। তবে তার বক্তব্যে তিনি নারীদের পক্ষে শক্তভাবে কথা বলেন।

“আমি বিশ্বাস করি নারীদের অধিকার, সুযোগ সুবিধা এবং দেশে বিদেশে বিভিন্ন ক্ষেত্রে পুরোপুরি অংশগ্রহণ একাবিংশ শতাব্দীর বিশাল অর্জন”।

জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্লেষক জন সাইডস বলেন, তিনি যদি ডেমোক্রেট মনোনয়েনের জন্য প্রার্থী হন, তবে তা তার জন্য প্রতিদ্দন্দ্বীতামূলক হবে।

“তিনি সম্ভবত ডেমোক্রেটদলীয় সবচেয়ে ভালো প্রার্থী, সাম্প্রতিক সময়ে ডেমোক্রেট দলীয়দের মধ্যে”।

তিনি বলেন, প্রশ্ন হচ্ছে, ২০০৮ সালে বারাক ওবামার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বীতায় হেরে তিনি আশাহত হয়েছিলেন, তাই আবারো তা করবেন কিনা? জন সাইডস বললেন:

“তিনি বেশরিভাগ ভোটারের কাছে পরিচিত। আমি মনে করিনা তার ইমেজ ব্যাবস্থাপনা নিয়ে চিন্তা করতে হবে এবং আসলে একটাই প্রশ্ন যে তিসি সেটি করবেন কিনা”।

ডেমোক্রেট দলীয় প্রধান প্রাথী হিসাবে তিনি রাজনৈতিক লক্ষ্যে টার্গেট পরিণত হবেন, বললেন ব্রুকিংস ইনস্টিটিউটের বিশ্লেষক ষ্টিফেন হেস।

“আপনি যদি খুব দূরে থাকেন তবে সকলেই আপনার দিকে তীর চুড়বে; শুধু অপরাপর প্রার্থীরাই নয়, গনমাধ্যমও। তিনি খুবই ঝুকির মুখে। অণ্যদিকে তহবিল সংগ্রহে অগ্রগতি তাকে ভালো অবস্থানে রেখেছে। যা প্রেসিডেন্সিয়াল রাপজনীতির জন্য খুবই জরুরী”।

যদি তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দীতা করেন তবে ২০১২ সালে লিবিয়ার বেনগাজীতে যুক্তরাস্ট্র দূতাবাসে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা নিয়ে, হাউজ স্পিকার জন বেয়নারসহ অনেকের অনেক প্রশ্নের মুখোমুখী হতে হবে তাকে।

“যখন বেনগাজীর প্রশ্ন আসে যাতে ৪জন আমেরিকান নিহত হয়েছিলেন, তাদের পরিবারের অধিকার এটা জানার যে কি ঘটেছিল; আর প্রশাসন তখন সত্য ঘটনা বলেনি”।

তবে ওই ঘটনা ক্লিনটনের জনপ্রিয়তা যে খুব নষ্ট করেছে তা নয়, বললেন বিশ্লেষক কারলিন বওম্যান।

“আমি হিলারীকে করা সকল জরিপের প্রশ্নগুলো দেখছি। দেখছি ১৯৯২ সালের পর থেকে তাকে করা সব প্রশ্ন তার পক্ষে যায়”।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকা কালীন সময় নিয়ে ক্লিনটনের বই ‘হার্ড চয়েসেস’ প্রকাশিত হবে জুন মাসে।
XS
SM
MD
LG