অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

পাচারের শিকার হয়ে প্রতি বছর ২ কোটি মানুষ নতুন দাসত্ব বরণ করছে


জানুয়ারী মাসকে জাতিয় দাসত্ব এবং মানব পাচার প্রতিরোধ মাস হিসাবে ঘোষণা করেছেন প্রসিডেন্ট বারাক ওবামা। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের আন্ত:সংস্থা কর্মকান্ড বৃদ্ধি এবং সরকারী বেসরকারী অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির মাধ্যমে মানব পাচার রোধের প্রয়াস নেয়া হয়েছে। জনসংখ্যাবহুল দেশ হওয়ার কারনে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে পাঠানোর নামে প্রচুর সংখ্যক মানুষ, বিশেষ করে নারী ও শিশু পাচার হচ্ছে। এসব রোধে কি করা যায় তা নিয়ে ভয়েস অব আমেরিকার সঙ্গে কথা বলছেন মানবাধিকার কর্মী এ্যাডভোকেট এলিনা খান। ভয়েস অব আমেরিকা ষ্টুডিও থেকে তার সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে রিপোর্ট করছেন সেলিম হোসেন।

মানব পাচারকে কোটি কোটি ডলারের অপরাধ খাত উল্লেখ করে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরী বলেছেন নৈতিক দয়িত্ববোধ এবং জাতিয় নিরাপত্তা উভয় কারনেই এই সমস্যা সমাধান করা প্রয়োজন।

হোয়াইট হাউজের এক মন্ত্রীপরিষদ বৈঠকে জন কেরী বলেন:

“আমি বিশ্বাস করি এই যুদ্ধে আমরা জিততে পারি এবং এতে আমরা জিতবোই। এই আধুনিক সময়ে ২ কোটি মানুষ দাসত্ব বরণ করে থাকতে পারে না এবং কোনো এক সরকার তাদেরকে রক্ষা করবে এই বিশ্বাস নিয়ে বেচে থাকতে পারে না”।

জন কেরী বলেন প্রতি বছর ২ কোটি মানুষ নতুন করে দাসত্ব বরণ করছেন। মানব পাচার পর্যবেক্ষন ও রোধ করতে হোয়াইট হাউজ নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে আইনের শাষন, অর্থায়ন সচেতনতা বৃদ্ধি ইত্যাদি।

২০১৫ সালের জুলাই মাসের এক প্রতিবেদনে বলা হয় মানব পাচারের আওতায় পুরুষ নারী ও শিশু পাচারেরর দিক দিয়ে মেক্সিকো সর্বাগ্রে। আর পাচার হওয়া মানুষের অধিকাংশকে ব্যাবহার করা হয় যৌন ব্যাবসা বা জোরপূর্বক শ্রম খাতে।

যুক্তরাষ্ট্রের এ্যাটর্নী জেনারেল লরেটা লিঞ্চ বলেছেন পাচারকারী চক্য সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ, তাদেরকে গ্রেফতার ও বিচারের আওতায় আনতে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ এবং হোমল্যান্ড সিকিউরিটি, মেক্সিকোর আইন শৃংখলা রক্ষাকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে।

“২০০৯ সাল থেকে এই যৌথ কর্মসূচীর আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে ১৭০ জন এবং মেক্সিকোয় ৪০জন পাচারকারীর বিচার হয়েছে। আর পাচার হওয়া ২০০ বেশী মানুষ ও ২০ জনেরও বেশী শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে”।

বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি ব্যাখ্রা করতে গিয়ে মানবাধিকার কর্মী এ্যাডভোকেট এলিনা খান জানান বিদেশে পাঠানোর নামে দেশ থেকে হাজার হাজার মানুষ পাচার হচ্ছে যারা বাইরে গিয়ে দাসত্ বরণ করছে।

বাংলাদেশ থেকে কিভাবে নারী ও শিষশু পাচার হয় সে সম্পর্কে বললেন এলিনা খান।

মানব পাচার বন্ধে কি করা উচিৎ সে প্রশ্নে এলিনা খান বলেন।

XS
SM
MD
LG