অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

জিকা সংক্রমনের আশংকা, বাংলাদেশের অবস্থা ও প্রতিরোধ ব্যাবস্থা


হ্যালো ওয়াশিংটনে স্বাগত জানাচ্ছি। প্রিয় স্রোতা শুনলেন আজকের বিষয়: “জিকা সংক্রমনের আশংকা ও প্রতিরোধ ব্যাবস্থা"। এ নিয়ে আলোচনায় যোগ দিয়েছেন তিনজন্ অত্যন্ত মেধাবী মানুষ; পেশায় তিনজনই চিকিৎসক।

যোগ দিয়েছেন ফ্লরিডা থেকে Dr. Sezan Mahmud; Professor of Medicine at University of Central Florida College of Medicine, তিনি অত্যন্ত জনিপ্রয় লেখক নাট্যকার এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা, হলিউডে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কাজ করছেন, সম্প্রতি হংকং ভিত্তিক একটি চলচ্চিত্র নির্মাণে মনোযোগ দিয়েছেন।

ঢাকা থেকে যোগ দিয়েছেন ডা. নাফিস আহমেদ খান। ডা. নাফিস খান নিউইয়র্কের জুইশ হাসপাতালে কর্মরত, আন্তর্জাতিক বিষয়াবলীর তিনি একজন দক্ষ বিশ্লেষক।

যোগ দিয়েছেন জনস হপকিনস বিশ্বিদ্যালয় হসপিটালের চিকিৎসক, এক সময়কার নামকরা বিতার্কিক, ডা. মোহাম্মদ নাকিবুদ্দিন।

আমাদের ঢাকা সংবাদদাতা আমীর খসরুর রিপোর্ট; সিংগাপুরে গত সপ্তাহ দু’এক সময়ের মধ্যে ১৯ জন বাংলাদেশী-যাদের প্রায় সবাই শ্রমিক - তারা জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন। আক্রান্ত সবাইকে সেখানে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। সিংগাপুর কর্তৃপক্ষ ব্যক্তিগত গোপনীয়তার জন্য কারো নাম-পরিচয় প্রকাশ করেনি। সিংগাপুরের বাংলাদেশ দূতাবাস যথাযথ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছে।

এদিকে, বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ সব বিমানবন্দর এবং অন্যান্য জল ও স্থলবন্দরে সর্তকতা জারি করেছে। বিশেষ করে সিংগাপুরসহ জিকাপ্রবণ দেশগুলো থেকে আসা যাত্রীদের বিশেষ ভাবে স্ক্যানিং করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, এই সপ্তাহেই অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ এক গবেষণা পরবর্তী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের যে ৮টি দেশে জিকা ভাইরাস ব্যাপকমাত্রায় ও বড় আকারে ছড়িয়ে পড়তে পারে- এমন ঝুঁকিতে থাকা দেশের মধ্যে বাংলাদেশ একটি।

XS
SM
MD
LG