অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

৫৭ ধারা চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছে


ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে তথ্য প্রযুক্তি আইনের একটি ধারা। সংবিধান বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধারায় সংবিধান প্রদত্ত চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা কেড়ে নেয়া হয়েছে। বিশেষ করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ায় সাংবাদিক প্রবীর শিকদারের গ্রেপ্তার ও তিন দিনের পুলিশী রিমান্ডে নেয়ার পর আলোচিত এই ৫৭ ধারাটি বাতিলের দাবি উঠেছে। মানবাধিকার কর্মী, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, সাংবাদিকরাও সোচ্চার। শাসকদলের মধ্যেও প্রতিক্রিয়া হয়েছে। মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান বলেন, ৫৭ ধারাটি হুমকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে। অনেক দুর্বল করেছে। একটি বার্তা সবার কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। আমার বাক স্বাধীনতা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা হরণ করা হচ্ছে।

আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি ও অভিজ্ঞ পার্লামেন্টারিয়ান সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত বলেছেন, সংবিধান চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দিয়েছে। এটা নিরঙ্কুশ। এটা নিয়ন্ত্রণ করে সংসদ কোন আইন পাস করতে পারে না। তিনি বলেন, প্রবীর শিকদারের ফেসবুক স্ট্যাস্টাস চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার বহিঃপ্রকাশ। তার ক্ষেত্রে যা ঘটেছে সবটাই সংবিধানের বরখেলাফ। সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. শাহদীন মালিক মনে করেন ৫৭ ধারাটি সাংঘর্ষিক। প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেছেন, সাংঘর্ষিক নয়। তবে মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও আইনের প্রয়োগ দু’ক্ষেত্রেই কিছুটা বাড়াবাড়ি রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ফাহমিদুল হক বলেছেন, ১৭৫৭ সনে স্বাধীনতার সূর্য অস্তনমিত হয়েছিল। আরেক ৫৭ কথা বলার স্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছে। ঢাকা থেকে মতিউর রহমান চৌধুরী


XS
SM
MD
LG