অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বাংলাদেশে পালিত হল ৪৫তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস


দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হয়ে, শ্রদ্ধা ভালোবাসায় সমগ্র জাতি পালন করেছে ৪৫তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। ১৯৭১ সালের ৯ মাসের রক্তস্নাত মুক্তিযুদ্ধেরশুরু হয় এই দিনে। দিনটি ছিল সরকারি ছুটির দিন। দিবসটি উপলক্ষে সরকারি-বেসরকারি এবং ব্যক্তিগত উদ্যোগে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এই উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন। ভোরে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। বিএনপির চেয়ারপার্সনসহ সর্ব স্তরের জনতাও তাদের শ্রদ্ধা জানান। সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিশু-কিশোরদের অনুষ্ঠানে বলেছেন, স্বাধীনতার ৪৫তম বছরে আমরা পা দিয়েছি। কোন দিক থেকে দেশ পিছিয়ে থাকবে না।



স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন।


দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র এবং সরকার প্রধানগণ বার্তা পাঠিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। ভারতের প্রেসিডেন্ট প্রণব মুর্খাজী ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাদের বার্তায় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার হবে বলে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।...ঢাকা থেকে আমীর রিপোর্ট।

ওদিকে আজ কলকাতায়ও যথোচিত মর্যাদায় বাংলাদেশের ৪৫ মহান জাতীয় দিবস উদযাপিত হল। কলকাতার ফোর্টউইলিয়মে শহীদ স্মারকে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন সেনাবাহিনী আধিকারিকরা। এই উপলক্ষ্যে কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপদূতা বাসেও যথোচিত মর্যাদায় দিনটি পালিত হয়। এই দিনটি মনে রেখে রাষ্ট্রপতি প্রনব মুখোপাধ্যায় বাংলাদেশের আপামর জনসাধারন কে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন....এক ট্যুইট বার্তায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় মুক্তিযুদ্ধের শহীদ দের শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপশি বাংলাদেশের সমস্ত নাগরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।​ পরমাশীষ ঘোষরায়ের রিপোর্ট।

XS
SM
MD
LG