অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বিএসএফকে পৃথক সদর দপ্তর নির্মাণের জন্য ভারত সরকার অর্থ দেবে


India Malaria

India Malaria

রাজ্যের মালদহ জেলার কালিয়াচকে জাল নোট, সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ, অস্ত্রপাচার এবং সরকারি জমি দখল হয়ে যাওয়ার মতো মারাত্মক অপরাধ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার যে উদ্বিগ্ন তার প্রমাণ পাওয়া গেলকেন্দ্রীয় মন্ত্রীএকটি সিদ্ধান্তে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে ফরাক্কা ব্যারেজ প্রকল্পের ৫৮ একর জমি ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে (বিএসএফ) দেওয়া হবে। কালিয়াচকে বিএসএফের চতুর্থ ব্যাটেলিয়নের একটি সদর দপ্তর গড়ে তোলা হবে। ওই সদর দপ্তরের জন্য পরিকাঠামো গড়ে তোলা হবে কালিয়াচকের জগন্নাথপুরের খেজুড়িয়াঘাটে। মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সরকারের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে বিএসএফের পৃথক সদর দপ্তর গড়ে ওঠার কারণে ফরাক্কা ব্যারেজ প্রকল্পটিকেও পাহারা দেবে বিএসএফ। কারণ কাছেই প্রতিবেশী দেশের সীমান্ত। এভাবে কালিয়াচকে ব্যাটেলিয়নের সদর দপ্তর গড়ে তোলার ফলে আগামীদিনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারিতে আরও বেশি করে আশপাশের সীমান্ত এলাকা চলে আসছে। কারণ কালিয়াচকের মাধ্যমেই জাল নোট থেকে আফিম চাষ, নানাবিধ অপরাধমূলক কার্যকলাপ চুড়ান্ত আকার ধারণ করেছে বলে সম্প্রতি একের পর এক ঘটনায় প্রকাশ পেয়েছে। আর রাজ্যের খাগড়াগড়বিস্ফোরণ কাণ্ডেও মালদহ, কালিয়াচকের নাম জড়িয়েছে।সীমান্ত পেরিয়ে ওইপ্রতিবেশী দেশ থেকে এদেশে অনুপ্রবেশকারীদের পাশাপাশি যে সন্ত্রাসবাদী আনাগোনাও বাড়ছে তাও ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির তদন্তে জানা গিয়েছে। বিশেষ করে এনআইএর রিপোর্ট পেয়েই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল এবং তখনই স্থির হয়েছিল মালদহে সীমান্ত পাহারা বাড়ানোর দরকার। সেইমতো কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ক্যাবিনেট নোট তৈরি করে এবং সেই নোট আজ মন্ত্রিসভার বৈঠকে পেশ করা হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের প্রস্তাব ছিল প্রায় ৬০ একর জমি দরকার। আর কেন্দ্রীয় জলসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রকের পক্ষ থেকে ফরাক্কা ব্যারেজ প্রকল্পের উদ্বৃত্ত ৫৮ একর জমি দেওয়ার ব্যাপারে অনুমোদনও দেওয়া হয়। চতুর্থ ব্যাটেলিয়নের সদর দপ্তর গড়ে উঠলে পুলিশ ছাড়াও গোটা এলাকাই কার্যত বিএসএফের টহলদারির আওতায় চলে আসবে।

এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানাচ্ছেন কলকাতা থেকে পরমাশিষ ঘোষ রায়।

XS
SM
MD
LG