অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

উপমহাদেশে জেহাদি কাজকর্মে অর্থ দিচ্ছে দাউদ ইব্রাহিম


পশ্চিমবঙ্গের খাগড়াগড় বিস্ফোরন কান্ডসহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে জঙ্গি-জেহাদি কাজকর্মের পিছনে দেশের মোস্ট ওয়ান্টেড দাউদ ইব্রাহিম কাসকরের টাকা খাটছে। শুধু এ রাজ্যই নয়, গোটা উপমহাদেশজুড়ে যেখানেই জঙ্গি-জেহাদি কাজকর্ম বাড়ছে, সেখানেই নাশকতার প্রশিক্ষণের জন্য টাকা ঢালছে পাকিস্তানে গা-ঢাকা দিয়ে থাকা দাউদ।

দেশের গোয়েন্দারা বলছেন, দুই বাংলাজুড়ে সাম্প্রতিক যতগুলি জঙ্গি-জেহাদি নাশকতার ঘটনা ঘটেছে, তার ‘ব্যাক রুম সাপোর্ট সিস্টেম’ হিসাবে রয়েছে দাউদের টাকায় গড়ে ওঠা সংগঠন ‘শাহাদাত-ই-হিকমা’। মূলত জঙ্গিদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ, বিস্ফোরকের ব্যবহার, আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা এবং গোপনে সীমান্ত পার করানোর মতো যাবতীয় লজিস্টিক সাপোর্ট দেয় এই সংগঠন। বর্তমানে দাউদের এই সংগঠন একটি নতুন নাম নিয়েছে। তারা এখন ‘শহিদ হামজা ব্রিগেড’।

প্রসংগত বলা যেতে পারে গত ২৬ সেপ্টেম্বর বনগাঁর বাগদা রোড থেকে কলকাতা পুলিশের এসটিএফের হাতে ধরা পড়া বাংলাদেশের মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি আনোয়ার হোসেন ফারুক ওরফে জামাই ফারুক ওরফে কালো ভাইও দাউদের এই সংগঠনের কাছ থেকেই প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। তাকে জেরা করে শাহাদাত-ই-হিকমা এবং শহিদ হামজা ব্রিগেড সম্পর্কে বিশদ তথ্য পেয়েছেন এসটিএফের গোয়েন্দারা। ঐ সংগঠন দুটির ‘ফিনান্সার’ যে দাউদ ইব্রাহিমই, জেরায় তাও জানিয়েছে ফারুক। বাংলাদেশি ফারুকের সঙ্গে দাউদ ইব্রাহিমের যোগসূত্র সামনে আসার পরই ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ) ফারুককে জেরা করার তোড়জোড় শুরু করেছে বলেই এনআইএ সূত্রের খবর। কলকাতা থেকে পরমাশিষ ঘোষ রায়।

XS
SM
MD
LG