অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ওড়িশা উপকূলে বিদেশি জাহাজ আটক করল ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনী


দেশের উপকূল রক্ষীবাহিনীর কাছে আসা গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতেই নিষিদ্ধ স্যাটেলাইট ফোনের সূত্র ধরে ওড়িশা উপকূলে বিদেশি জাহাজ আটক করল উপকূল রক্ষী বাহিনী। নাবিক ও অফিসার সহ গ্রেফতার করা হয়েছে চার জনকে। ধৃতদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দন্ডবিধির একশো কুড়ি'র বি ধারায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র-সহ একাধিক ধারায় আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। জাহাজ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে একটি নিষিদ্ধ স্যাটেলাইট ফোন। প্রসংগত বলা যেতে পারে উপকূলরক্ষীবাহিনীর কাছে গোপন সূত্রে খবর এসেছিল, ভারতের জলসীমায় বসে, নিষিদ্ধ স্যাটেলাইট ফোন ব্যবহার করে কথা বলা হচ্ছে বিদেশে। এরপরই শুরু হয় নজরদারি। শেষ পর্যন্ত উপকূলরক্ষী বাহিনীর হাতে আটক করা হয় বিদেশি জাহাজ টিকে। উপকূলরক্ষী বাহিনীর উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সদর দফতরের মুখপাত্র ডেপুটি কম্যান্ডান্ট অভিনন্দন মিত্র জানিয়েছেন, আটক জাহাজটি সিঙ্গাপুর থেকে এসেছিল। নাবিক ও অফিসার মিলে জাহাজে ছিলেন একুশ জন এবং সকলেই ফিলিপিন্সের বাসিন্দা। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, লস্কর জঙ্গি জাকিউর রহমান লকভি ও তার শাগরেদরা স্যাটেলাইট ফোন ব্যবহার করেই নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রেখে মুম্বই জুড়ে একের পর এক হামলা চালিয়েছিল। তদন্তে নেমে আমেরিকার সাহায্য নিয়ে ওইসব স্যাটেলাইট ফোনের কল রেকর্ড মধ্যপ্রাচ্যের শারজায় থাকা ‘থুরায়া মাস্টার কন্ট্রোল ফেসিলিটি’ থেকে উদ্ধার করেন ভারতীয় গোয়েন্দারা।নিষিদ্ধ সেই থুরায়া স্যাটেলাইট ফোন ব্যবহার হচ্ছে সংকেত পেয়েই ওড়িশার ধর্মা বন্দরে বিদেশি জাহাজকে আটক করে উপকূল রক্ষী বাহিনী। জাহাজে তল্লাশি চালিয়ে একটি নিষিদ্ধ ফোন উদ্ধার করেছেন গোয়েন্দারা, গ্রেফতার করা হয়েছে জাহাজের ক্যাপ্টেন-সহ চারজনকে।কিন্তু নিষিদ্ধ ওই স্যাটেলাইট ফোন কী কারণে গোপনে ওই জাহাজে নিয়ে আসা হয়েছিল ...কোথায় কোথায়, কেন ফোন করেছিলেন নাবিকরা... এসব খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা।

XS
SM
MD
LG