অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

রফতানী ক্ষেত্রে বাংলাদেশের যথেস্ট সম্ভাবনা রয়েছে ডক্টর ওয়াহিদূদ্দীন মাহমুদ

  • সরকার কবীরূদ্দীন

রফতানী ক্ষেত্রে বাংলাদেশের যথেস্ট সম্ভাবনা রয়েছে ডক্টর ওয়াহিদূদ্দীন মাহমুদ

রফতানী ক্ষেত্রে বাংলাদেশের যথেস্ট সম্ভাবনা রয়েছে ডক্টর ওয়াহিদূদ্দীন মাহমুদ

বাংলাদেশের জ্বালানি খাত , বিনিয়োগ পরিস্থিতি , রেমিটেন্স – ইত্যাদি অর্থনীতি সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ,সাবেক তত্ববধায়ক সরকারের উপদেস্টা,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রফেসার ওয়াহিদুদ্দীন মাহমুদ কথা বলেছেন ভয়েস অফ আমেরিকার বাংলা বিভাগের সঙ্গে । ডক্টর মাহমূদ বলেন, বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি নিয়ে দেশি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মনে একটা ইতিবাচক ধারনা রয়েছে এবং বিনিয়োগে যথেস্ট আগ্রহও রয়েছে কিন্তু নতুন করে শিল্প স্থাপনা গড়তে হলে যে জ্বালানী-বিদ্যুত বা প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রয়োজন সে সমস্যার সমাধান কবে হবে সেটা এখনও নিশ্চিতভাবে বোঝা যাচ্ছেনা । তিনি বলেন এ সমস্যার সমাধানে অনেক দ্বিধা দ্বন্দে সময় অতিবাহিত হয়েছে । রেন্টাল পাওয়ার প্লান্টের মতো স্বল্প মেয়াদী কিছু ব্যবস্থাকে প্রফেসার মাহমূদ সঠিক কোনো সমাধান বলে মনে করেন না এবং বলেন এতে খরচও অনেক বেশি । বর্তমানে যে পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হচ্ছে বছর খানেকের ভেতর তার সূফল পাওয়া যেতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি । প্রফেসার ওয়াহিদুদ্দীন মাহমুদ বলেন, বালাদেশের ভেতরেই এখন বাজার সম্প্রসারণ ঘটছে এবং বিনিয়োগ থেকে প্রাপ্ত লভ্যতা অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক বেশি ।এখন ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেওয়া সুযোগের কারণে তৈরি পোশাকের রফতানী আরো বেড়ে যাবে বলে মনে করেন তিনি । অন্যান্য দেশের বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগকে বেশি লাভজনক বলে মনে করেন বাজার সম্ভাবনার বিচারে ।

দেশে যে পরিমানে চাল – গম উত্পাদিত হচ্ছে বলে পরিসংখ্যান দেখা যায় , সে পরিসংখ্যান সঠিক নাও হতে পারে বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদ মাহমূদ । চিনি,ভোজ্য তেল ইত্যাদির মতো কিছু কিছু ভোগ্যপন্ণ্যের ক্ষেত্রে অল্প সংখ্যক আমাদানীকারকের হাতে বাজারের নিয়ন্ত্রণ থাকায় সেখানে একচেটিয়া ব্যবসার প্রভাব বা সিন্ডিকেট ব্যবস্থার অস্তিত্বের কথা স্বীকার করলেও প্রফেসার ওয়াহিদুদ্দীন মাহমুদ মনে করেন সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্যে কঠোর যে কিছু কিছু ব্যবস্থার কথা ভাবছে সেটা ফলদায়ক নাও হতে পারে এবং বাজারকে তার নিজ গতিতেই চলতে দেওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন । কতো খাদ্য আমাদানী করা যাবে , কতো খাদ্য শষ্য বা খাদ্য পন্য গুদামজাত রাখা যাবে , কদ্তদিন সেসব রাখা যাবে এ সব বিষয়ে কড়াকড়ি আরোপের তিনি পক্ষপাতি নন তবে , যারা আমদানী করেন, যারা মজুদ করেন তাদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা উচিত বলে উল্লেখ করেন প্রফেসার ওয়াহিদূদ্দীন মাহমুদ । তিনি আরও বলেন এতো পরিবীক্ষন ক্ষমতা বা অবকাশ সরকারের নেই । জনসংখ্যা রফতানী প্রশ্নে তিনি বলেন এর থেকে যে রেমিটেন্স আসে তার চেয়ে অনেক বেশি বৈদেশিক অর্থ পাওয়া যেতে পারে রফতানী থেকে এবং এই রফতানী ক্ষেত্রে বাংলাদেশের যথেস্ট সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করেন সাবেক তত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও অর্থনীতিবিদ ডক্টর ওয়াহিদুদ্দীন মাহমুদ ।

XS
SM
MD
LG