অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সহযোগিতায় সাফল্য অনেক: মনিরুজ্জামান

  • আনিস আহমেদ

যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে চতুর্থ বারের মতো পার্টনারশীপ ডায়ালগ বা অংশীদারিত্বমূলক সংলাপ অনুষ্ঠিত হলো । এবার ঢাকায় এই সংলাপে যোগ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরে রাজনীতি বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারী ওয়েন্ডি শারম্যান। এই অংশীদারিত্বমূলক সংলাপ সম্পর্কে ঢাকায় Institute of Peace & Security Studies এর প্রেসিডেন্ট অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান তাঁর এক পর্যালোচনায় এই ২০১২ সালের পর থেকে এই পর্যন্ত এই সংলাপের সাফল্য ও অগ্রগতি তুলে ধরেন। তিনি বলেন যে গত তিনটি সংলাপে যে বিষয়গুলো নিয়ে আলাপ আলোচনা হয়েছে সেখানে দু দেশের মধ্যে সহযোগিতার যে সব ক্ষেত্র সেটা ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সহযোগিতা অনেক ক্ষেত্রে ফলপ্রসূ হয়েছে। দু দেশের মধ্যে সহযোগিতার যে সব ব্যাপার আলাপ আলোচনা হয়ে আসছে এবং এ বছর ও যেটা হবে তার মধ্যে রয়েছে বানিজ্য, বিনিয়োগ , সাহায্য , নিরাপত্তা এবং মানুষে মানুষে যোগাযোগ গুরুত্ব পাবে। তবে দু পক্ষেল উন্নয়ন এবং সুশাসন বানিজ্য-বিনিয়োগ ও নিরাপত্তা সহযোগিতার উপরে বিশেষ গুরুত্ব পাবে বলে আমরা জানতে পেরেছি। এ ছাড়া দেখা যাচেছ যে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত এক টুইটার বার্তায় বলেছেন যে এই বছর যে আলাপ আলোচনা হচ্ছে , তার মধ্যে নতুন নতুন কিছু বিষয় তাঁরা এই সংলাপে অন্তর্ভূক্ত করতে যাচ্ছেন , যার মধ্যে থাকছে পরিবেশ, স্বাস্থ্য এবং সংক্রামক ব্যাধি। এ ছাড়াও সামুদ্রিক অর্থনীতি বিষয়ে তাঁরা আলাপ আলোচনা করতে পারেন বলে তিনি তাঁর ঐ টুইটার বার্তায় উল্লেখ করেছিলেন। আজকের সংবাদ সম্মেলনে আমেরিকান প্রতিনিধিদলের প্রধান বলেছেন যে গ্লোবাল হেলথ , ফিড দ্য চিল্ড্রেন এবং গ্লোবাল ক্লাইমেট চেঞ্জ ইনশিয়িাটিভের অধীনে যে সব কার্যক্রম আছে সে সব ব্যাপারেও যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবে।

মেজর জেনারেল ( অবসরপ্রাপ্ত) মনিরুজ্জামান বলেন যে তিনি মনে করেন এই সব সহযোগিতা , দ্বিপাক্ষিক কারণ কৌশলগত দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ দেশ এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ও বাংলাদেশ । তা ছাড়া শান্তিরক্ষীর মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এসছে। আর এ ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে একটা বড় ধরণের স্বীকৃতি এসছে। তিনি নিরাপত্তা বিষয়ক সহযোগিতার কথাও উল্লেখ করেন এবং বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র যে বাংলাদেশে সেনাবাহিনী , নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডকে সাহায্য করে আসছে সে বিসয়টিও উল্লেখ করেন।

মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন যে ওয়েন্ডি শারম্যান।সন্ত্রাস দমনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রশঙসা করেছেন এবং বলেছেন যে বাংলাদেশের কার্যক্রম বেশ অনুকরণীয়। তবে মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন যে সম্প্রতি বাংলাদেশে উগ্রবাদের যে উত্থান লক্ষ্য করা যাচ্ছে সেটা উদ্বেগের কারণ। বিশেষত দু জন ব্লগার হত্যা এবং বাংলাদেশী জঙ্গিবাদীরা শুদু বাংলাদেশেই নয়, পশ্চিম বঙ্গে গিয়ে তারা আরও তৎপর হয়ে উঠছে । কাজেই বলা যায় যে সাফল্য যেমন আছে , তেমনি ইদানিংকালের কার্যক্রম উদ্বেগজনক ও বটে।

যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে চতুর্থ বারের মতো পার্টনারশীপ ডায়ালগ বা অংশীদারিত্বমূলক সংলাপ অনুষ্ঠিত হলো । এবার ঢাকায় এই সংলাপে যোগ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরে রাজনীতি বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারী ওয়েন্ডি শারম্যান। এই অংশীদারিত্বমূলক সংলাপ সম্পর্কে ঢাকায় Institute of Peace & Security Studies এর প্রেসিডেন্ট অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান তাঁর এক পর্যালোচনায় এই ২০১২ সালের পর থেকে এই পর্যন্ত এই সংলাপের সাফল্য ও অগ্রগতি তুলে ধরেন। তিনি বলেন যে গত তিনটি সংলাপে যে বিষয়গুলো নিয়ে আলাপ আলোচনা হয়েছে সেখানে দু দেশের মধ্যে সহযোগিতার যে সব ক্ষেত্র সেটা ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সহযোগিতা অনেক ক্ষেত্রে ফলপ্রসূ হয়েছে। দু দেশের মধ্যে সহযোগিতার যে সব ব্যাপার আলাপ আলোচনা হয়ে আসছে এবং এ বছর ও যেটা হবে তার মধ্যে রয়েছে বানিজ্য, বিনিয়োগ , সাহায্য , নিরাপত্তা এবং মানুষে মানুষে যোগাযোগ গুরুত্ব পাবে। তবে দু পক্ষেল উন্নয়ন এবং সুশাসন বানিজ্য-বিনিয়োগ ও নিরাপত্তা সহযোগিতার উপরে বিশেষ গুরুত্ব পাবে বলে আমরা জানতে পেরেছি। এ ছাড়া দেখা যাচেছ যে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত এক টুইটার বার্তায় বলেছেন যে এই বছর যে আলাপ আলোচনা হচ্ছে , তার মধ্যে নতুন নতুন কিছু বিষয় তাঁরা এই সংলাপে অন্তর্ভূক্ত করতে যাচ্ছেন , যার মধ্যে থাকছে পরিবেশ, স্বাস্থ্য এবং সংক্রামক ব্যাধি। এ ছাড়াও সামুদ্রিক অর্থনীতি বিষয়ে তাঁরা আলাপ আলোচনা করতে পারেন বলে তিনি তাঁর ঐ টুইটার বার্তায় উল্লেখ করেছিলেন। আজকের সংবাদ সম্মেলনে আমেরিকান প্রতিনিধিদলের প্রধান বলেছেন যে গ্লোবাল হেলথ , ফিড দ্য চিল্ড্রেন এবং গ্লোবাল ক্লাইমেট চেঞ্জ ইনশিয়িাটিভের অধীনে যে সব কার্যক্রম আছে সে সব ব্যাপারেও যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবে।

মেজর জেনারেল ( অবসরপ্রাপ্ত) মনিরুজ্জামান বলেন যে তিনি মনে করেন এই সব সহযোগিতা , দ্বিপাক্ষিক কারণ কৌশলগত দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ দেশ এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ও বাংলাদেশ । তা ছাড়া শান্তিরক্ষীর মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এসছে। আর এ ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে একটা বড় ধরণের স্বীকৃতি এসছে। তিনি নিরাপত্তা বিষয়ক সহযোগিতার কথাও উল্লেখ করেন এবং বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র যে বাংলাদেশে সেনাবাহিনী , নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডকে সাহায্য করে আসছে সে বিসয়টিও উল্লেখ করেন।

মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন যে ওয়েন্ডি শারম্যান।সন্ত্রাস দমনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রশঙসা করেছেন এবং বলেছেন যে বাংলাদেশের কার্যক্রম বেশ অনুকরণীয়। তবে মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন যে সম্প্রতি বাংলাদেশে উগ্রবাদের যে উত্থান লক্ষ্য করা যাচ্ছে সেটা উদ্বেগের কারণ। বিশেষত দু জন ব্লগার হত্যা এবং বাংলাদেশী জঙ্গিবাদীরা শুদু বাংলাদেশেই নয় , পশ্চিম বঙ্গে গিয়ে তারা আরও তৎপর হয়ে উঠছে । কাজেই বলা যায় যে সাফল্য যেমন আছে , তেমনি ইদানিংকালের কার্যক্রম উদ্বেগজনক ও বটে।

XS
SM
MD
LG