অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

দারিদ্র হ্রাসের জন্যে বাংলাদেশে বিভিন্ন সরকারের উদ্যোগের কারণেই এ সাফল্য : ড সালেহউদ্দিন আহমেদ

  • আনিস আহমেদ

সম্প্রতি প্রকাশিত বিশ্ব ব্যাঙ্কের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে ২০০০ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে দরিদ্র লোকের সংখ্যা ২৬ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। রিপোর্টটিতে আরও বলা হয়েছে যে চলতি বছরই বাংলাদেশ দারিদ্র হ্রাসের ব্যাপারে সহস্রাব্দ লক্ষ্যমাত্র বা মিলিনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল অর্জন করতে সক্ষম হবে। বিষয়টির ওপর বিস্তারিত আলোকপাত করেছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ এবং বাংলাদশ ব্যাঙ্কের প্রাক্তন গভর্ণর ড সালেহউদ্দিন আহমেদ । এই উৎসাহব্যঞ্জক প্রতিবেদন সম্পর্কে ড আহমেদ বলেন যে এই অগ্রগতির পেছনে প্রধান কারণ হলো উন্নয়নের ধারাবাহিকতা। ২০০০ থেরকে ২০১০ সালে সরকারগুলির একটি মূল উদ্দেশ্যই ছিল দারিদ্র বিমোচন এবং উন্নয়ন। অতএব সব সরকারই দারিদ্র বিমোচনের একটা টার্গেট নির্ধারণ করেছে তাই সরকারগুলি বাংলা দেশে বহুমুখি উন্নয়ন প্রকল্প নিয়েছে । বিশ্বব্যাঙ্ক মনে করছে যে মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে তবে ড সালেহউদ্দিন আহমেদ যদিও মনে করেন যে ইদানিং দ্রব্য মুল্য বৃদ্ধি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আছে , এই ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টি সামগ্রিক নয়। কোন কোন ক্ষেত্রে , বাড়তি আয়ে হয়ত মানুষ বেশি কিছু কিনেছে। কিন্তু এটাকে সামগ্রিক ভাবে দেখার কোন কারণ নেই ।
তিনি অবশ্য বিশ্ব ব্যাঙ্কের একজন কর্মকর্তার সঙ্গে এ ব্যাপারে সহমত পোষণ করেন যে সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বলয় তৈরির উদ্যোগ কিছুটা হলে ও দারিদ্র কমিয়ে এনেছে তবে তিনি বলেন যে সেটা মূলত হতদরিদ্রদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ড সালেহউদ্দিন আহমেদ জোর দিয়েই বলেন যে এক্ষেত্রে নারীদের কর্মসংস্থান , পারিবারিক আয় বৃদ্ধিতে সাহায্য করছে। বাংলাদেশে তিরিশ বছরের কম বয়সী লোকজনের সংখ্যা বেশি থাকায় তিনি বলেন যে সেটা আশার একটা বড় দিক। তবে তিনি এ কথাও বলেন যে এই তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ করে তোলার জন্য প্রয়োজন যথার্থ শিক্ষা সেটি কেবল সরকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা প্রচলিত বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্ভব নয় । এটার জন্য দরকার পেশা-কেন্দ্রিক শিক্ষা ।

XS
SM
MD
LG