অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

BIMSTEC ‘এর সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে ডঃ সেলিম জাহানের বিশ্লেষণ

  • আনিস আহমেদ

বঙ্গোপাসগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর সমন্বয়ে অর্থনৈতিক এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতার ফোরাম BIMSTEC ‘এর তৃতীয় শীর্ষ সম্মেলন বর্মার রাজধানীতে শেষ হলো এই সম্প্রতি । এই সংগঠনটির স্থায়ী সচিবালয় , বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়েছে। BIMSTEC ‘এর সম্ভাব্য আঞ্চলিক ভূমিকা এবং এর সম্ভাবনা নিয়ে ভয়েস অফ আমেরিকার আনিস আহমেদের সঙ্গে কথা বলেছেন নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির দারিদ্র বিভাগের পরিচালক , বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড সেলিম জাহান।

তিনি মনে করেন যে BIMSTEC ‘এর তৃতীয় বৈঠকে যে একটি স্থায়ী সচিবালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তা পুরো সংগঠনের জন্য অতন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এ পর্যন্ত এই সংস্থার কার্যক্রম সেগুলো মুলত শীর্ষ সম্মেলন বা মন্ত্রী পরিষদের সম্মেলনের মধ্যেই সীমিত থেকেছে। সচবিলায় স্থাপনের মাধ্যমে , ড জাহান মনে করেন যে সংগঠনটি গতিময়তা পাবে। BIMSTEC ‘এর গঠিত হবার ১৭ বছর পর ও এই গোষ্ঠিটির তেমন কোন উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম চোখে পড়েনি। এর কারণ সম্পর্কে ড সেলিম জাহান বললেন যে স্থায়ী কোন সচিবালয় না থাকায় শীর্ষ সম্মেলনগুলো হয়েছে অনেক সময়ের ব্যবধানে। ঐ অঞ্চলে চীনের ভূরাজনৈতিক স্বার্থের বিকল্প হিসেবে BIMSTEC ‘এর ভূমিকা নাকচ করে দেন ড সেলিম জাহান। তিনি বলেন যে BIMSTEC মূলত ঐ অঞ্চলের আর্থ-প্রাযৌক্তিক উন্নয়নের জন্যে নিবেদিত।


BIMSTEC ‘এর মতো সংগঠনগুলো ঐ অঞ্চলে যে সব চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন সে সম্পর্কে ড সেলিম জাহান বলেন যে প্রধান সমস্যাটি হচ্ছে সংগঠনের সদস্য-রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে এক ধরণের ভারসাম্যহীনতা। ভারতের মতো শক্তিশালী দেশ ও যেমন এই সব আঞ্চলিক গোষ্ঠির সদস্য তেমনি আবার ঐ একই গোষ্ঠির অন্তর্ভুক্ত নেপাল কিংবা ভূটানের মতো দেশগুলোও। এই অসাম্য এবং অনৈক্য সংগঠনের শক্তির পরিপন্থি আবার আরেকটা সমস্যা হলো যে সংগঠনের সদস্যরা , বাইরের দেশগুলোর সঙ্গে অনেক বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক রাখেন , সিদ্ধান্ত নেন । সেটিও সংগঠনের বিকাশ এবং এর লক্ষ্য পূরণের ক্ষেত্রে প্রধান একটা বাধা।

XS
SM
MD
LG