অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

জন কেরি এবং যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি প্রসঙ্গে অধ্যাপক জিল্লুর রহমান খান

  • আনিস অহমেদ

সোমবার জন কেরি , যুক্তরাষ্ট্রের নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে আনুষ্ঠানিক ভাবে তাঁর দায়িত্ব শুরু করেছেন। জন কেরির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মেয়াদকালে যুক্তরাস্ট্রের পররাষ্ট্র নীতিতে কিছু পরিবর্তন ঘটবে কি না এ সব বিষয় নিয়েই বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানি যুক্তরাষ্ট্রের উইসকন্সিন বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত Rosebush প্রফেসার এমিরেটাস ড জিল্লুর রহমান খান ভয়েস অফ আমেরিকার বাংলা বিভাগের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জন কেরির ভূয়সী প্রশংসা করে‌ন এবং বলেন যে সেনেটর হিসেবে তিনি এরই মধ্যে সাফল্যের দৃষ্টান্ত রেখেছেন এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গিটা হচ্ছে খুব ভারসাম্যপূর্ণ। সে জন্যেই সেনেট তাকে প্রায় সর্বসম্মতিক্রমে সমর্থন জানায়। তিনি আরও মনে করেন যে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়নে কেরি সমর্থ হবেন। জন কেরি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র নীতির বেশ একটা ক্রান্তি লগ্নেই দায়িত্ব নিলেন, তাই বিশেষত আফগানিস্তান থেকে আমেরিকান ও নেটো সৈন্য প্রত্যাহারের পর আফগানিস্তান এবং বলা যায় গোটা দক্ষিণ এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র নীতিতে পরিবর্তন আসতে পারে।

অধ্যাপক খান মনে করেন যে আফগানিস্তানের ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে পরিবর্তন নির্ভর করছে , সেখানকার অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অবস্থার ওপর , সেখানকার সুশাসন ও দুর্নীতি রোধের ব্যাপারে সরকারী ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর । তা ছাড়া আফগানিস্তানে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠিকে ও একত্রিত হতে হবে। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তানে মূল অভিযান চালিয়েছিল আল ক্বায়দার বিরুদ্ধে । তিনি আরও বলেন যে আফ্রিকায় আল ক্বায়দা যে ভাবে প্রভাব বিস্তার করছে , মালি থেকে আপাতত বিতাড়িত হওয়া সত্বেও তারা আফ্রিকার বেশ কিছু স্থানে তাদের ঘাঁটি গেড়েছে , সুতরাং তাদের উৎখাত করতে যুক্তরাষ্ট্র সক্রিয় হবে , এটাই স্বাভাবিক। সে ক্ষেত্রে আফ্রিকার দিকে যুক্তরাষ্ট্র দৃষ্টিনিবদ্ধ করতেই পারে। অধ্যাপক জিল্লুর রহমান খান , চীনের প্রভাব নিয়ন্ত্রিত করার জন্যে , দক্ষিণ পুর্ব এশিয়া এবং প্রশান্তমহাসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহের বিষয়টিও বিস্তারিত উল্লেখ করেন।

XS
SM
MD
LG