অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

হ্যালো ওয়াশিংটন : বিশ্বব্যাপী মুসলমানদের উপর আইসিসের প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া


আজ আপনাদের জিজ্ঞাসা আর আমাদের বিশেষজ্ঞ প্যানেলের জবাবের এই অনুষ্ঠানে বিষয় হচ্ছে বিশ্বব্যাপী মুসলমানদের উপর আইসিসের প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া ।

আজ আপনাদের জিজ্ঞাসার জবাব দেয়ার জন্য টেলিসম্মিলনী লাইনে টরোন্টো থেকে যোগ দিয়েছেন World Muslim Congress উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এবং কানাডার Muslims Facing Tomorrow“, ‘র সাধারণ সম্পাদক , ইসলামি শাস্ত্র বিষয়ক বিশ্লেষক জনাব হাসান মাহমুদ। লন্ডন থেকে রয়েছেন দু জন অতিথী , বিশিষ্ট কবি ও কলামিস্ট , সংবাদ বিশ্লেষক মিসেস শামিম আজাদ। রয়েছেন লন্ডনের জনমত পত্রিকার প্রধান সম্পাদক নাহাস পাশা।

আইসিস , অর্থাৎ ইসলামিক স্টেট অফ ইরাক এন্ড সিরিয়া যারা আইসিল নামে ও পরিচিত , আবার আরবী আদ্যাক্ষর দায়েশ হিসেবও তাদের পরিচয় দেওয়া হয় , সংক্ষেপে ইসলামিক স্টেট বা আই এস , এদের উৎপত্তি এবং সম্প্রসারণ ঘটেছে বিস্ময়কর ভাবে বিদ্যুৎ গতিতে। নাম যাই হউক না কেন জনৈক আবুল বাকার আল বাগদাদী এই গোষ্ঠির নের্তৃত্ব দিচ্ছেন এবং গত বছর জুন মাসে ইরাকের মোসেল দখলের পর , জুলাই মাসে , রমজানের এক খোৎবায় তিনি নিজেকে মুসলিম বিশ্বের খলিফা বলে ঘোষণা করেছেন। আল বাগদাদি জনসমক্ষে এসছেন খুব কমই কিন্তু অভিযোগ হচ্ছে যে তাঁর সমর্থকরা যা্ঁরা এরই মধ্যে ইরাকের একটি বিশাল অংশ এবং সিরিয়ার অংশ বিশেষ ও তাঁদের আওতায় নিয়ে এসছে তারা গোটা বিশ্বকে স্বঘোষিত ইসলামিক রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়।

এ জন্য এরই মধ্যে তারা যে কেবল অমুসলিমদের হত্যা করেছে তাই নয় , বহু ভিন্ন মতাবলম্বী মুসলমানকেও হত্যা করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অনেকে এখানে শিয়া সুন্নি সংঘাত , সুফিবাদের সঙ্গে কট্টর ওয়াহাবিবাদের সংঘাত ও লক্ষ্য করেছেন। উদ্বেগ ও উৎকন্ঠার বিষয় হচ্ছে যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সুযোগ নিয়ে কথিত ইসলামিক স্টেট , এক শ্রেণীর তরুণ তরুণিকে এতটাই বিভ্রান্ত করতে পেরেছে যে তারা , এমন কী পশ্চিম বিশ্ব থেকে ও পালিয়ে ঐ উগ্রবাদীদের সঙ্গে যোগ দিচ্ছে। অআজকের অনুষ্ঠানে এর ধর্মীয় এবং আর্থ-রাজনৈতিক প্রভাব বিশ্লেষণ করবেন অতিথীরা। প্রশ্নকর্তাদের কাছে অনুরোধ আপনাদের প্রশ্ন অনুগ্রহ করে সংক্ষিপ্ত রাখবেন আর প্যানেলিস্ট আলোচকদের কাছেও সনির্বন্ধ অনুরোধ উত্তরের পুনরাবৃত্তি না ঘটিয়ে সংক্ষেপে জবাব দিতে।

XS
SM
MD
LG