অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

পুলিশ দাবি করেছে যে, তারা সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত জামাআতুল মুজাহেদীন বাংলাদেশ বা জেএমবি’র ৪ জন নারী সদস্যকে গ্রেফতার করেছে। তাদের কাছ থেকে ৬টি ককটেল, বোমা তৈরির সরঞ্জামাদি এবং জিহাদী বই পত্র উদ্ধার করার কথা জানিয়েছে পুলিশ। এর আগে গুলশান হামলার সাথে জড়িত সন্দেহে নরসিংদী থেকে একজন নারীকে আটক করা হয়। দুর্গম এলাকায় জঙ্গী তৎপরতা প্রতিরোধে আইন শৃংখলা রক্ষাবাহিনীকে নজরদারী করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। ঢাকা পুলিশ কমিশনার রোববার দাবি করেছেন যে, গুলশান হামলার সাথে জড়িত সবাইকে তারা চিহ্নিত করতে পেরেছেন। গ্রেফতার সময়ের ব্যাপার মাত্র। তিনি বলেছেন, গুজব সৃষ্টিকারীদের ছাড় দেয়া হবে না।
এদিকে, জঙ্গী তৎপরতা বিষয়ক আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সাউথ এশিয়ান টেরোরিজম পোর্টাল-এর তথ্য মোতাবেক গত ১১ বছরে বাংলাদেশে জঙ্গীবাদের বিস্তার বেড়েছে। ২০০৫ থেকে ২০১৬’র জুলাই পর্যন্ত হিসেবে বাংলাদেশে জঙ্গী হামলার ঘটনায় ৬৩৬ জন নিহত হয়েছেন-যার মধ্যে ৩৬০ জনই সাধারণ মানুষ। এছাড়া ৩৩ জন আইন শৃংখলা রক্ষাবাহিনী নিহত হয়েছেন ওই সময়ে এবং জঙ্গী ও জঙ্গী সন্দেহে নিহত হয়েছেন ২৪৩ জন। ওই হিসাবে দেখা যাচ্ছে, ২০১৬ অর্থাৎ এই বছরের ১৭ জুলাই পর্যন্ত ৭৬ জন নিহত হয়েছেন জঙ্গী হামলার ঘটনায়; যার মধ্যে ৪২ জনই সাধারণ মানুষ। আর এ সময়ে জঙ্গী এবং জঙ্গী সন্দেহে নিহত হয়েছে ৩০ জন এবং ৪ জন নিহত হন আইন শৃংখলা রক্ষাবাহিনীর সদস্য।
অপর এক খবরে জানা গেছে, ডাচ বাংলা চেম্বারের সভাপতি ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাসান খালেদ শনিবার সকাল থেকে নিখোজ রয়েছেন। পুলিশ এই খবর নিশ্চিত করেছে।...ঢাকা থেকে আমীর খসরু

XS
SM
MD
LG